জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ চলাকালে বাংলাদেশের কূটনীতিকের আসন ফাঁকা, বহু প্রতিনিধি ওয়াক আউট - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত পুলিশ সদস্য কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ এর অভিযান; প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী অনুমতি জটিলতায় প্রীতি ম্যাচ স্থগিত, ক্ষোভ আবাসিক শিক্ষার্থীদের

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ চলাকালে বাংলাদেশের কূটনীতিকের আসন ফাঁকা, বহু প্রতিনিধি ওয়াক আউট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৪ বার দেখা হয়েছে

গাজায় গণহত্যা ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর বক্তৃতার সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধিসহ বহু দেশের কূটনীতিক হল ত্যাগ করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ চলাকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধির আসন ফাঁকা দেখা গেছে। গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে বহু দেশের কূটনীতিক ওয়াক আউট করলে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে যুক্ত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ছবি ও ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, নেতানিয়াহু বক্তব্য রাখার সময় বাংলাদেশের নেমপ্লেটসহ একাধিক আসন খালি। আল জাজিরা, এএফপি, এবিসি নিউজসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একই ছবি প্রকাশিত হয়েছে। এতে বোঝা যায়, বাংলাদেশের কূটনীতিকও ওয়াক আউটের অংশ ছিলেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা জানান, নেতানিয়াহু মঞ্চে উঠতেই বহু দেশের প্রতিনিধি একসঙ্গে বেরিয়ে যান। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই পরিষদের হল প্রায় অর্ধেক ফাঁকা হয়ে পড়ে। তবে একই সময়ে দর্শক সারিতে থাকা ইসরায়েলি সমর্থকরা করতালি দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বক্তৃতার আগে সাধারণ পরিষদের সভাপতি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। কিন্তু গাজায় চলমান গণহত্যা, ফিলিস্তিনি বেসামরিক মানুষের মৃত্যু ও ইসরায়েলের আঞ্চলিক আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে একাধিক দেশের প্রতিনিধি প্রতিবাদ জানানোর অংশ হিসেবে এই কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেন।

নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে ঘোষণা করেন, গাজায় হামাসকে নির্মূল করা হবে এবং “যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে”। তিনি আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে দাবি করেন, “অসংখ্য নেতা গোপনে ইসরায়েলকে সমর্থন করছে।” তার এই বক্তব্য আরও ক্ষোভ বাড়ায় বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশের আসন ফাঁকা থাকলেও দেশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন কিংবা ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের পূর্ববর্তী অবস্থান ছিল ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে, গাজায় বেসামরিক হতাহতের নিন্দা এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান। তাই এই ওয়াক আউট বাংলাদেশের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্ব কূটনৈতিক মহলে এই ঘটনা একটি বড় প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় ফাঁকা আসনের ছবি ও ভিডিও আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের আসন ফাঁকা থাকার বিষয়টি দেশটির অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT