নগরের নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা জনস্বাস্থ্যনীতিরও অংশ

- আপডেট সময় শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
- ২ বার দেখা হয়েছে


ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির সাম্প্রতিক সংখ্যা মনে করিয়ে দেয়, নগরের পরিচ্ছন্নতা কেবল সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ নয়; এটি জনস্বাস্থ্য রক্ষার মৌলিক অবকাঠামো। অথচ আমরা প্রায়ই নালা পরিষ্কারের উদ্যোগ দেখি মৌসুমি অভিযান হিসেবে। বর্ষা বা রোগের প্রকোপ বাড়লে তৎপরতা দেখা যায়, তারপর নজরদারি শিথিল হয়ে পড়ে।
একটি কার্যকর ব্যবস্থার শুরু হওয়া উচিত প্রতিটি ওয়ার্ডে পানি জমার জায়গা, বন্ধ ড্রেন, আবর্জনা জমার প্রবণতা এবং নিয়মিত পরিষ্কারের সময়সূচি প্রকাশের মাধ্যমে। বাসিন্দারা যেন জানেন কোথায় অভিযোগ করবেন, কত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাজের অগ্রগতি কোথায় দেখা যাবে। শুধু কীটনাশক ছিটানো বা প্রচারপত্র বিতরণে এই জবাবদিহির ঘাটতি পূরণ হয় না।
বিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাজার ও বাসাবাড়ির আশপাশের জলাবদ্ধতা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সিটি করপোরেশন, শিক্ষা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে আলাদা আলাদা প্রকল্পের বদলে একই ঝুঁকির মানচিত্রে কাজ করতে হবে। নাগরিকের দায়িত্ব আছে পানি জমতে না দেওয়া; কিন্তু কার্যকর বর্জ্য সংগ্রহ ও ড্রেনেজ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রশাসনের।
প্রতি মাসে ওয়ার্ডভিত্তিক পরিচ্ছন্নতার অগ্রগতি, মশার প্রজননস্থল শনাক্তের তথ্য এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির হার প্রকাশ করা যেতে পারে। এতে কোন এলাকায় কাজ হচ্ছে আর কোথায় পিছিয়ে আছে, তা বোঝা সহজ হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধকে জরুরি অভিযানের ভাষা থেকে নিয়মিত সেবার মানদণ্ডে নিয়ে আসাই এখন জরুরি।






Leave a Reply