সরেজমিনে দেখা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই দলীয় কর্মী সমর্থকরা জেলার ৯টি উপজেলা থেকে আসতে শুরু করেন। তবে জনস্রোত শুরু হয় সকাল ৮টার পর থেকে। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশে আসতে থাকেন। ধীরে ধীরে মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে গেলে আশপাশের সড়ক ও মহাসড়কেও মানুষের অবস্থান দেখা যায়।
কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় এই জনসভায় উপজেলা ও জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং ১১ দলীয় জোটের নেতারা অংশ নিয়েছেন ও বক্তব্য রাখছেন। জনসভা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ঐক্যজোটের সহযোগীরা। দুপুর ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
এছাড়াও, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানকারী দল ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের অন্যতম শরীক এনসিপির সদস্য সচিব আকতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ এবং ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জনসভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার বলেন, জনসভার জন্য কুড়িগ্রামের সর্ববৃহৎ ভেন্যু বেছে নেওয়া হয়েছে, যেখানে লাখো মানুষ উপস্থিত হয়ে দাঁড়িপাল্লা ও ১১ দলীয় জোটের পক্ষে সমর্থন জানাতে এসেছেন। এটি শুধু জনসভা নয়, লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে রূপ নিচ্ছে। সেভাবেই প্রস্তুতি আগে থেকে নেওয়া ছিল।
উল্লেখ্য, কুড়িগ্রামের সংসদীয় চারটি আসনের মধ্যে কুড়িগ্রাম-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে এনসিপির ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহী এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।