নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কুবি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি বিএনপি এমপিরা, সিদ্ধান্ত পরে ১০ নম্বর জার্সি পরেই এমপি হিসেবে শপথ নিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন সম্পন্ন নাফ নদী থেকে আটক ৭৩ জেলে দেশে ফিরলো, আরাকান আর্মির সঙ্গে আলোচনায় সফল বিজিবি বিএনপি সরকারের শপথে হেফাজত আমিরকে আমন্ত্রণ; পীর সাহেব চরমোনাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ আজ কর্মঘণ্টায় মুসলিমদের জামাতে নামাজে উৎসাহ, অফিস আদেশ জারি করল আকিজ ভেঞ্চার সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুনের নিরষ্কুশ বিজয় সিঙ্গাপুরে আজিজ খান ও এস আলম এর সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দ রাশিয়ার বৈদেশিক ঋণ ২০ বছরের সর্বোচ্চ, যুদ্ধ ব্যয় ও বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, শপথ স্থগিতের আবেদন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কুবি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে বৈষম্য ও প্রহসনের প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল পালন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ১১ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা। বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা, ‘ভাত দে, কাপড় দে, নইলে গদি ছাড় দে’,
‘নবম পে-স্কেল দিতে হবে, দিতে হবে’,’সারা বাংলায় খবর দে, পে কমিশন কবর দে’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই’, ‘এই লড়াইয়ে জিতবে কারা, মেহনতি কর্মচারীরা’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
কুবি কর্মচারী রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখেছি যখন ২০১৮ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পে স্কেলের মধ্যে অনেক বৈষম্য ছিল। কর্মচারীরা বৈষম্য দূর করার জন্য বছর পর বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। কর্মচারীদের ওই আন্দোলনের ফলাফল হলো নবম পে স্কেল। কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে আমাদের অন্তবর্তী কালীন সরকার একটি পে স্কেল কমিশন গঠন করে। ওই পে কমিশন গঠন করার পরেও নানা কালক্ষেপণ করার পর দেখা গেল এখনো ওই বৈষম্যে দূর হয় নাই বরং বৈষম্য আরো বেড়েছে।’
চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘নিজেদের ন্যায্য ভাতের দাবিতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে -এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমরা কোনো রাজনৈতিক কর্মী নই, আমরা সাধারণ কর্মচারী। তবুও ন্যায্য অধিকার আদায়ে আজ আমাদের কর্মস্থল ছেড়ে আন্দোলনে নামতে হয়েছে, যা সত্যিই দুঃখজনক।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি এ কে এম কামরুল হাসান বলেন,’এই লড়াই একক কোনো কর্মচারীর নয়, এটি সবার। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি দপ্তরের কর্মচারীদের এই আন্দোলনে অংশ নিতে হবে। প্রশাসন যদি কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেয়, তবে কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT