আড়াইহাজারে হাফিজিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের ১০টি মোবাইল ভাঙচুর, ভিডিও ভাইরাল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত পুলিশ সদস্য কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ এর অভিযান; প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী অনুমতি জটিলতায় প্রীতি ম্যাচ স্থগিত, ক্ষোভ আবাসিক শিক্ষার্থীদের

আড়াইহাজারে হাফিজিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের ১০টি মোবাইল ভাঙচুর, ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৩ বার দেখা হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী এলাকায় একটি হাফিজিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের গোপনে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে অন্তত ১০টি মোবাইল হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। মাদরাসা প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে মোবাইল ভাঙার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গোপালদীর রামচন্দ্রদী হাফিজিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। মাদরাসার একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ হাতুড়ি দিয়ে মোবাইল ফোনগুলো ভেঙে দেন।

ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে রাখা মোবাইল ফোন একে একে ভাঙা হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক হাফেজ ওয়ালিউল্যাহ বলেন, “মাদরাসার নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। কেউ মোবাইলসহ ধরা পড়লে মোবাইল ভেঙে ফেলা এবং শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের বিধান রয়েছে। ভর্তির সময়ই এসব নিয়ম অভিভাবকদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়।”

তিনি আরও জানান, এর আগেও কয়েক দফা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছিল। সে সময় অভিভাবকদের জানানো হলে তারা মোবাইল ভেঙে ফেলার বিষয়ে সম্মতি দেন।

মাদরাসার সভাপতি মো. মুছা মিয়া বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমি প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি রেজুলেশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে ঘটনাটি পর্যালোচনার জন্য আগামী শনিবার একটি সভা ডাকা হয়েছে।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT