নোটিশ:
শিরোনামঃ
জ্বালানি স্থাপনায় যুদ্ধবিরতির দাবি ট্রাম্পের, হামলা অব্যাহত থাকার কথা কিয়েভের জ্বালানি মূল্য ও ঋণের চাপ সামনে রেখে ব্যাংককে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বৈঠক দেশে চিকিৎসার মান বাড়লে বিদেশমুখিতা কমবে: রাষ্ট্রপতি মেয়েশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যয় নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর আইটি, সার ও জ্বালানি খাতে জাপানের মারুবেনিকে বিনিয়োগের আহ্বান সমুদ্র, নদী ও স্থলবন্দরের সমন্বয়ে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, নিন্দা ঢাকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের কথা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুবিতে মহালয়া উদযাপন ও প্রবীণদের অন্নপ্রসাদ

তাহসানকে ‘জিহাদি’ বলে কটাক্ষ তসলিমা নাসরিনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫০২ বার দেখা হয়েছে
Taslima Nasrin Post

শেষ কনসার্টে সংগীত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ার পর নির্বাসিত লেখিকার বিতর্কিত মন্তব্য

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও অভিনেতা তাহসান খানকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ করেছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক কনসার্টে দীর্ঘ দুই যুগের সংগীত জীবনের প্রতি বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়ে স্টেজ ক্যারিয়ার ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন তাহসান। এসময় তিনি বলেন, “মেয়ে বড় হচ্ছে। এখন কি দাঁড়ি রেখে স্টেজে দাঁড়িয়ে এমন লাফালাফি করা ভালো লাগে?”

এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তসলিমা নাসরিন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, “দাড়ি রেখে বুঝি স্টেজে গান গাওয়া নিষেধ? মেয়ে বড় হলে গান গাওয়া বন্ধ করা উচিত? লাফালাফি করতে না চাইলে লাফালাফি না করেও গান গাওয়া যায়।”

তিনি আরও দাবি করেন, তাহসানের দাড়ি যদি “ইসলামী দাড়ি” হয়ে থাকে, তাহলে হয়তো তিনি ইসলামপন্থীদের ফতোয়ার কাছে নতি স্বীকার করে গান ছাড়ছেন। তার ভাষায়, “দেশে যখন জিহাদিরা গান বাজনা বন্ধ করার আন্দোলন করছে, তখন তাহসান কি তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একমত? তিনি কি মনে করেন, দাড়িওয়ালা কিংবা মেয়ের বাবা হলে আর গান গাওয়া যায় না?”

তসলিমা অভিযোগ করেন, তাহসানের এই মনোভাব জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জোগায়, যারা বাউল উৎসব, লালন মেলা বন্ধ করছে, স্কুল থেকে সংগীত শিক্ষা তুলে দিচ্ছে এবং মাজারে গানবাজনা বন্ধ করছে।

প্রসঙ্গত, তাহসানের সংগীতযাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে ব্যান্ড ব্ল্যাক-এর মাধ্যমে। পরে ২০০৪ সালে একক অ্যালবাম ‘কিছু কথা’ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি একক শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ড গঠন করে একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দেন। তার গাওয়া ‘চোখে চোখে কথা হতো’, ‘যদি কোনোদিন’, ‘চলে যাও তবে’, ‘আলো’, ‘ছুঁয়ে দিলে মন’, ‘কতদূর’ ও ‘প্রেম তুমি’ আজও কোটি ভক্তের হৃদয়ে দাগ কেটে আছে।

তাহসানের সংগীত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত এবং তসলিমা নাসরিনের কটাক্ষ দুটোই বর্তমানে অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT