বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রাজিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গতকাল বুধবার মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল শাফী কনফারেন্স কক্ষে আল ফিকহ এন্ড উসুল আল ফিকহ বিভাগের আয়োজনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বক্তৃতায় উপাচার্য বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় শরিয়া আইনের একীভূতকরণ’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় শরিয়া আইনকে একীভূত করার তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক কাঠামো, সমসাময়িক আইনে শরিয়া নীতিগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার আইনি, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক প্রভাবগুলি বিশ্লেষণ করেন তিনি। ভাইস চ্যান্সেলর মুঘল সুলতানি আমল থেকে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের চ্যালেঞ্জ এবং স্বাধীনতা-উত্তর যুগে এর ঐতিহাসিক প্রয়োগের সূত্রপাত নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশে শরিয়া আইনের প্রয়োগ কীভাবে অন্যান্য মুসলিম দেশের অনুশীলন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, সে-বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেন।
ইসলামী আইনের উপর ভিত্তি করে একটি ইসলামী আদালত প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই বিষয়ে বিভিন্ন মতামত থাকলেও ইসলামী পণ্ডিতদের কাছ থেকে এই ধরণের পদ্ধতি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি বিস্তৃত বা সামগ্রিক প্রস্তাব এখনও উপস্থাপন করা হয়নি।
মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় দুপুর ২ টায় শুরু এ সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিকহ ও উসুল আল-ফিকহ বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইয়েদ মুহাম্মদ মুহসিন, নাদওয়াতুল জুমুআ কমিটির প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুলহামিদ মুহাম্মদ আলী জারৌম এবং ফিকহ কমিটির প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আমানুল্লাহ। সঞ্চালনায় ছিলেন কুরআন ও সুন্নাহ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ ওসমানী।