মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ইশতেহারটি প্রকাশ করা হয়।
সংশপ্তক পর্ষদের ইশতেহারের ১৩ দফা হলো— ১. সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও হল দখল মুক্ত গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস তৈরিতে শিক্ষার্থী আচরণ বিধি আধুনিকায়ন করতে হবে এবং হল মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। ২. বিভাগ উন্নয়ন ফি সহ নামে বেনামে ফি বৃদ্ধির মত বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধ করতে হবে। ৩. প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র রোধ করতে হবে এবং শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করতে হবে। ৪. প্রাণ প্রকৃতি পরিবেশ রক্ষায় অবিলম্বে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করতে হবে।
৫. গণহারে স্বল্পমাত্রায় বৃত্তি প্রথা বন্ধ করে চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত পরিমাণে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করতে হবে। ৬. গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের লক্ষ্যে গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে ৭. আবাসিক হল বিশেষ করে নতুন হলগুলো সংস্কার করতে হবে এবং প্রত্যেক হলে দ্রুতগতি সম্পূর্ণ ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগ দিতে হবে। ৮. বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে এবং সার্বক্ষণিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ করতে হবে। ৯. ডাইনিং ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ায় ভর্তুকি দিয়ে খাবারের মান বৃদ্ধি করতে হবে। ১০. অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থার সংকট সমাধানে টেকসই ও স্বল্প ভাড়ার পরিবহন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ডিজেবল শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত আসন রাখতে হবে। ১১. দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভাগ থেকেই শ্রুতি লেখক ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের চলাচল উপযোগী অবকাঠামো হলে, বিভাগে তথা পুরো ক্যাম্পাসকে ব্যবস্থা নির্মাণ করতে হবে। ১২. সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে প্রশাসনের উদ্যোগে বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ১৩. ৭৩ এর অধ্যাদেশের অসম্পূর্ণতা দূর করতে হবে। একাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন করতে হবে। জাকসুকে ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সর্বনিম্ন উপস্থিতি হার ৬০% বাতিল করে উপস্থিতি হারে নম্বর প্রদান পদ্ধতি চালু করতে হবে।