ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন মো. সারোয়ার জাহান। তিনি রাজশাহীর তানোর উপজেলার তলমা গ্রামের মো. শামসুল হকের ছেলে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শহীদ শামসুজ্জোহা হলের একজন অনাবাসিক শিক্ষার্থী।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “আমার মাস্টার্সের ফলাফল প্রকাশিত হলেও দু’টি পরীক্ষায় ইম্প্রুভ দিয়েছি যার ফলাফল এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। সুতরাং বর্তমানে আমি একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী।
তিনি আসন্ন রাকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে প্রার্থী হতে চান জানিয়ে বলেন, আমি আসন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে নির্বাচন করব। এখন পর্যন্ত আমি ছাত্র কিন্তু আমার নাম যেহেতু আসেনি পরবর্তীতে যুক্ত না করলে আমার সকল পরিশ্রম বৃথা যাবে। ফলাফল প্রকাশিত না হওয়ার পরও আইনে ফাঁক-ফোকড় দেখিয়ে ভোটার তালিকায় সংযুক্ত না করলে রাকসু’র ফান্ডে ১৯৯০ সালের পর থেকে জমা হওয়া সকলের ফি ফেরত দিতে হবে”।
উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হলেও ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সাথে অনার্স-মাস্টার্স পরীক্ষা দেন এবং অনার্স প্রথমবর্ষের দু’টি পরীক্ষার ইম্প্রুভ দেন পরবর্তীতে যার ফলাফল এখনো অপ্রকাশিত।