ইসলাম অবমাননার প্রতিবাদ জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন- দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্লোবাল সামুদ ফ্লোটিলা গাজায় রওনা, ৫০টির বেশি জাহাজে মানবিক সহায়তা জাপানের শিনকোইয়া মসজিদে প্রতি রবিবার এশার পর সাপ্তাহিক ইসলামিক আলোচনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতা, ৫০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি মনোনয়ন বিতরণের শেষদিনে রাকসু কার্যালয়ে ভাঙচুর করল রাবি ছাত্রদল পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ টাকা তাসকিন–লিটনের ঝড়ে ডাচদের সহজে হারাল বাংলাদেশ, সিরিজে ১–০ নেতৃত্ব সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ কেরালায় ক্যানারা ব্যাংকে গরুর মাংস নিষিদ্ধ, কর্মীদের ‘বিফ-ফেস্ট’ প্রতিবাদ ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধসহ তিন দফা দাবিতে গণঅধিকার পরিষদের হুঁশিয়ারি

ইসলাম অবমাননার প্রতিবাদ জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে
ইসলাম অবমাননায় বৈছাআ'র বিবৃতি,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্মীয় অবমাননা, ইসলাম, সামাজিক শান্তি, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, জাতিগত ঐক্য, ফেসবুক বিবৃতি, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, আইনী ব্যবস্থা, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তচিন্তা, গণতান্ত্রিক চর্চা, ধর্মীয় বিশ্বাস, জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি, বিভেদ সৃষ্টিকারী, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ.
ইসলাম অবমাননায় বৈছাআ'র বিবৃতি, ছবি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পেজ

আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১টা ৪৬ মিনিটে নিজেদের ফেসবুক পেজে ইসলাম অবমাননা প্রসঙ্গে সতর্ক করে বিবৃতি দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

এর আগে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন কমিটির এক সাবেক সদস্য (রাখাল রাহা) ইসলামকে ফেসবুকে অবমাননার চেষ্টা করেন। এতে সৃষ্টি হয় জনরোষের। তারই প্রেক্ষিতে ২১ ফেব্রুয়ারিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাখাল রাহাকে ইঙ্গিত করে কঠোর ভাষায় ফেসবুকে বিবৃতি দেয় (আগের বিবৃতি দেখতে এখানে ক্লিক করুন)। পরবর্তীতে তা মুছে নতুন করে ২৩ ফেব্রুয়ারি বিবৃতি দেয়।

ফেসবুকে প্রকাশিত নতুন বিবৃতি হুবহু তুলে ধরা হলো:

বাংলাদেশের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় অবমাননার বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ় অবস্থান

বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ আমাদের ঐতিহ্যের অংশ, যা জাতিগত ঐক্য ও শান্তির মূল ভিত্তি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একটি বিশেষ চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে আমাদের ঐক্য ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

বিশেষ করে, ইসলাম ধর্ম, মহান আল্লাহ এবং রাসূল (সা.)-এর প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য ও প্রচারণা আমাদের সামাজিক ঐক্যে আঘাত হানছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এমন কিছু বক্তব্য দেখা যাচ্ছে, যা ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করছে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির শঙ্কা সৃষ্টি করছে। দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে কেউ যদি ধর্মীয় অবমাননাকর বক্তব্য প্রদান করে, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়। এ ধরনের বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা বিশ্বাস করি, যে কোনো ধর্মের প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য বা বিদ্বেষমূলক প্রচারণা শুধু ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতেই আঘাত হানে না, বরং এটি সামগ্রিক সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকিস্বরূপ।

আমরা সমাজের সর্বস্তরের মানুষ— শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন বিভেদ সৃষ্টিকারীদের অপচেষ্টা প্রতিহত করেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কখনোই কারও ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করার অধিকার দেয় না। প্রকৃত মুক্তচিন্তা ও গণতান্ত্রিক চর্চা তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা সামাজিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে সুসংহত করে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মের মানুষও শহিদ হয়েছেন। সেই আত্মত্যাগের চেতনায় উজ্জীবিত নতুন বাংলাদেশে সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

আমরা চাই, বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি অব্যাহত থাকুক, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও দৃঢ় হোক এবং যেকোনো বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা ব্যর্থ হোক। আসুন, আমরা সকলে মিলে একটি শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে প্রত্যেক ধর্ম ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান থাকবে, আর আমাদের জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

বার্তাপ্রেরক
রফিকুল ইসলাম আইনী
সম্পাদক, কমিউনিটি এফেয়ার্স সেল
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT