যে কারণে মরে গিয়ে বেঁচে যেতে চেয়েছিলেন ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেওয়া সেই বৃদ্ধ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা ইসির

যে কারণে মরে গিয়ে বেঁচে যেতে চেয়েছিলেন ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেওয়া সেই বৃদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৮৯ বার দেখা হয়েছে
মীর রুহুল আমিনের বাড়ি (সংগৃহীত ছবি)
মীর রুহুল আমিনের বাড়ি (সংগৃহীত ছবি)

মরে গিয়ে বেঁচে যেতে চেয়েছিলেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ৭০ বছর বয়সী পেঁয়াজচাষী মীর রুহুল আমিন, যার ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার ভিডিও এখন মানুষের হাতে হাতে।

সামাজিক মাধ্যমের একাংশ নেটিজেনরা দাবি করেছেন যে, মীর রুহুল আমিনের স্ত্রী আট মাস আগে মারা গেছেন এবং তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে, এমনকি সারা রাত উঠানে থেকেও তার ছেলেরা দরজা খুলে দেয়নি। ফলে তিনি ক্ষুধা ও অভিমান থেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ভিন্ন তথ্য। মীর রুহুল আমিনের স্ত্রী মরিয়ম বেঁচে আছেন যিনি জানালেন,  ঘটনার দিন সকালে খাওয়ার পর তিনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। তার সাথে বেলা তিনটার আগে দুবার কথা হয়, তবে কোন ধরনের পারিবারিক অশান্তি বা ঝগড়ার বিষয় ছিল না।

এছাড়াও পরিবারের সদস্যরা জানালেন, তার সাথে তাদের কোনো বিরোধ বা দূরত্ব ছিল না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি একজন পেঁয়াজচাষী ছিলেন যিনি পেঁয়াজ আবাদের জন্য তিনটি বেসরকারি সংস্থা থেকে যথাক্রমে ৫০ হাজার, ৬৪ হাজার ও ৮০ হাজার টাকা ঋণ করেছিলেন। প্রতি সপ্তাহে তাঁকে ৪ হাজার ৪৫০ টাকা কিস্তি দিতে হতো। এখনো ৯৯ হাজার ২৯০ টাকা ঋণ অবশিষ্ট রয়েছে। বাজারে পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় কিস্তি পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল বলে তিনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলেন।

মূলত কিস্তির জ্বালা থেকে বাঁচতেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি বলে জানালেন তার পরিবার।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT