দেশেই হবে বিশ্বমানের বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা, তুরস্কের বিনিয়োগে নতুন হাসপাতাল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ড্রোন হামলার আশঙ্কা, বন্ধ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইরানের হামলায় তেল আবিবে আতঙ্ক: মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে আন্ডারগ্রাউন্ডে গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় রনিকে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয় ছাব্বির কুবিতে প্রথমবার জাতীয় বিতর্ক উৎসব, অংশ নেবে ৫৬টি দল আত্রাইয়ে স্ত্রী–সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পরে স্বামীর আত্মহত্যা নিজ অফিসে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

দেশেই হবে বিশ্বমানের বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা, তুরস্কের বিনিয়োগে নতুন হাসপাতাল

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৬ বার দেখা হয়েছে

বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় দেশে এখনো কোনো সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল নেই। গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে প্রায় ২৫টি ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) সেন্টার গড়ে উঠেছে এবং সফলতাও মিলছে। তবুও প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক রোগী বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার জন্য ভারত ও সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন। সম্প্রতি চিকিৎসার গন্তব্য হিসেবে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে তুরস্ক।

এ অবস্থায় বাংলাদেশে বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার জন্য আইভিএফ হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে তুরস্কের ওকান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে অনুমোদিত মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি টার্কিশডক-এর মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা, যা আগামী বছরের শেষ নাগাদ চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রথম দুই বছর তুরস্কের চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন এবং পরবর্তী সময়ে স্থানীয় চিকিৎসকেরাই পুরো হাসপাতাল পরিচালনা করবেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভোগেন। নিম্ন ও মধ্যআয়ের দেশগুলোতে এই হার ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রজনন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বন্ধ্যত্বে আক্রান্ত এক-তৃতীয়াংশ দম্পতি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান।

টার্কিশডকের কান্ট্রি হেড এম নুরুজ্জামান রাজু বলেন, “প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি রোগী বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান, এর বড় অংশ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায়। তুরস্কের চিকিৎসা ব্যয় সিঙ্গাপুরের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম, অথচ মানের দিক থেকে সর্বোচ্চ।”

তিনি জানান, “বাংলাদেশের চিকিৎসকরা যেন আধুনিক আইভিএফ প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত হতে পারেন, সেজন্য তুরস্ক থেকে বিশেষজ্ঞরা এখানে এসে কাজ করবেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের তুরস্কে প্রশিক্ষণের সুযোগও দেওয়া হবে।”

টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী ফাইক গকসু বলেন, “তুরস্ক ইতোমধ্যে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশে আমাদের লক্ষ্য কেবল হাসপাতাল নির্মাণ নয়, বরং জ্ঞান, প্রযুক্তি ও নৈতিক চিকিৎসা মানদণ্ড স্থানান্তর করা।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের আইভিএফ প্রোটোকলের সফলতার হার ৭০ শতাংশের বেশি, যা ইসলামি চিকিৎসা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশে নতুন হাসপাতালটি যৌথ রেফারেন্স সেন্টার হিসেবে কাজ করবে, যেখানে তুর্কি ও বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে গবেষণা ও চিকিৎসা পরিচালনা করবেন।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT