ধ্বংস করা হলো ৪৫ হাজার আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছের চারা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ড্রোন হামলার আশঙ্কা, বন্ধ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইরানের হামলায় তেল আবিবে আতঙ্ক: মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে আন্ডারগ্রাউন্ডে গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় রনিকে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয় ছাব্বির কুবিতে প্রথমবার জাতীয় বিতর্ক উৎসব, অংশ নেবে ৫৬টি দল আত্রাইয়ে স্ত্রী–সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পরে স্বামীর আত্মহত্যা নিজ অফিসে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ধ্বংস করা হলো ৪৫ হাজার আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছের চারা

ইসতিয়াক আহমেদ নাবীল (শেরপুর প্রতিনিধি)
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২৬৮ বার দেখা হয়েছে

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছের ৪৫ হাজার চারা ধ্বংস করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে নার্সারি মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান কার্যক্রমের আওতায় এই চারাগুলো ধ্বংস করা হয়।

২ জুলাই (বুধবার) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি খাইরুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি মো. ফজলুল হক, কৃষি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও এলাকার নার্সারি মালিকগণ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ও পানিশোষক গাছ হিসেবে পরিচিত। তাই সরকারিভাবে এসব চারা রোপণে দীর্ঘদিন ধরেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ঝিনাইগাতী উপজেলার ২৯টি নার্সারি থেকে সংগৃহীত ১ লাখ ২৭ হাজার চারা নিধনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়। পরে অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪৫ হাজার চারা ধ্বংস করা হয়, যার প্রতিটির জন্য ৪ টাকা হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

নার্সারি মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মো. ফজলুল হক বলেন, “সরকারের নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিবেশ-অসন্তুলন সৃষ্টি করে এমন গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি থেকে বিরত থাকবো।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন সবাইকে আহ্বান জানান, যেসব স্থানে এখনও এ ধরনের চারা রয়েছে, তা স্ব স্ব উদ্যোগে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। অন্যথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT