সাত দিনের আলটিমেটামে শেখ হাসিনার নামে বিজ্ঞপ্তি - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
কুবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল রাবি ছাত্রীসংস্থার উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় শেকৃবিতে এ্যাবের দোয়া মাহফিল কুকসুর গঠনতন্ত্র অনুমোদনের জন্য ইউজিসির কমিটি গঠন সন্ধ্যায় ঘোষণা হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ইবিতে মান উন্নয়ন পরীক্ষা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, দ্রুত সমাধান দাবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ত্রিশাল মুক্ত দিবস’ উদযাপিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরামের আয়োজনে নবীনদের বরণে ‘তারুণ্যের নবযাত্রা’ অনুষ্ঠিত সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে ফের মানববন্ধন

সাত দিনের আলটিমেটামে শেখ হাসিনার নামে বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা রিপোর্টার
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ১২০ বার দেখা হয়েছে

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে সাত দিনের মধ্যে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন এই মামলার আরেক আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তবে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানানো হয়। তাই চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়ে ২৪ জুন পরবর্তী আদেশের দিন ঠিক করেন।

এর আগে ১ জুন শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৫টি অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে আমলে নেওয়া হয়। ওই দিন মামলার বিচারিক কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নতুন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এরপর এই মামলাটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা সাড়ে ১৫ বছরে গুম-খুনের অভিযোগ নিয়ে এবং অন্যটি ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সরকারি বাহিনী, দলীয় ক্যাডার ও প্রশাসনের একাংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়েছে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ছে। এসব অপরাধের বিচার এখন চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT