নোটিশ:
শিরোনামঃ
লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত প্রবাসী আয় ১৪.২ শতাংশ বেড়ে ১২.১১ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডিসেম্বর থেকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরিকাঠামো, বৃদ্ধির অঙ্ক এখনো নির্ধারিত নয়

সাত দিনের আলটিমেটামে শেখ হাসিনার নামে বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা রিপোর্টার
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ২১৫ বার দেখা হয়েছে
shiekh-hasina-palai-na

গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে সাত দিনের মধ্যে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন এই মামলার আরেক আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তবে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানানো হয়। তাই চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের কাছে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়ে ২৪ জুন পরবর্তী আদেশের দিন ঠিক করেন।

এর আগে ১ জুন শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৫টি অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে আমলে নেওয়া হয়। ওই দিন মামলার বিচারিক কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নতুন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এরপর এই মামলাটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরও দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা সাড়ে ১৫ বছরে গুম-খুনের অভিযোগ নিয়ে এবং অন্যটি ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সরকারি বাহিনী, দলীয় ক্যাডার ও প্রশাসনের একাংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়েছে বলে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ছে। এসব অপরাধের বিচার এখন চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT