
“২০২৬ সালে শেকৃবিতে দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এটি বহুদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা ছিল, আমরা সেটি পূরণের পথে এগোচ্ছি।” বলেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল লতিফ।
রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উপাচার্য বলেন, “অনেক দিন আমরা ভুল তারিখে শেকৃবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছি। জুলাই বিপ্লবের পর দায়িত্বে এসে আমরা সঠিক তারিখে, ১১ সেপ্টেম্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছি। এ বিপ্লবের পর বন্ধ থাকা শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে পেরেছে শেকৃবি। একইসঙ্গে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোটাপ্রথা বাতিল করেছে শেকৃবি।”
শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রদানের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি এক মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে। শুধু তাই নয়, আমাদের লক্ষ্য ১৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রদান করা, যাতে শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি দিনও নষ্ট না হয়।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশেদুল ইসলাম, শেকৃবির প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল বাশারসহ অন্যরা।
এছাড়াও আলোচলায় বক্তব্যে রাখেন শেকৃবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবুল হাসান,ছাত্রদলের সভাপতি আহমেদুল কবির তাপস, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
আলোচনায় বক্তারা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও শিক্ষাকার্যক্রম বিস্তারের স্বার্থে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আলোচনা ও সাংস্কৃতিক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো: ছরোয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এফ.এম. আমিনুজ্জামান।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়, যা কৃষি অনুষদের সম্মুখ চত্বর থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।