কুবিতে ছাত্রীদের জন্য প্রথমবার চালু হচ্ছে ‘উইমেন’স কর্নার’ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন

কুবিতে ছাত্রীদের জন্য প্রথমবার চালু হচ্ছে ‘উইমেন’স কর্নার’

শারাফাত হোসাইন, কুবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৮ বার দেখা হয়েছে
‎ছাত্রীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে ‘উইমেন’স কর্নার’। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে কলা ও মানবিক এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ছাত্রীদের জন্য এ বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
‎আগামী ১ মার্চ ২০২৬ থেকে কর্নারটি আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
‎কলা ও মানবিক অনুষদ এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের নিচতলার দক্ষিণ-পূর্ব পাশের টয়লেট কম্পার্টমেন্টটি ছাত্রীদের নানাবিধ প্রয়োজন বিবেচনায় সংস্কার ও বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই ‘উইমেন’স কর্নার’-এ মেয়েদের নামাজের স্থান, মাতৃদুগ্ধ কর্নার, বিশ্রাম ও প্রসাধন ব্যবস্থা এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে।ছাত্রীদের জন্য একটি সহায়ক ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
‎এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টয়লেট ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা শুধু অবকাঠামো নয়, এটি স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য ও মর্যাদার বিষয়। কিন্তু সামান্য গাফিলতিতেই এগুলো অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাসিককালীন প্রয়োজন, প্যাড পরিবর্তন ও প্রাইভেসির বিষয়গুলো আমরা সেভাবে ফ্যাসিলিটেড করতে পারিনি-এই জায়গা থেকেই আমার ভাবনা শুরু। নতুন ভবন বা অতিরিক্ত স্পেস পাবার সম্ভাবনা নেই, তাই বিদ্যমান জায়গাকেই রেনোভেট করে টাইলস, পেইন্ট ও ইন্টেরিয়রের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করেছি।’
‎তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভিসি প্রো-ভিসি ও ট্রেজারারের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। আমার প্রত্যাশা, প্রতিটি একাডেমিক ভবনে এমন একটি ‘ফিমেল কর্নার’ গড়ে উঠবে এবং ছেলে-মেয়ে সবার জন্য টয়লেটের পরিচ্ছন্নতায় আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারণ পরিচ্ছন্নতা মানে শুধু আরাম নয়-স্বাস্থ্য ও মানবিক দায়িত্বও।’

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT