বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড ইফতিখারুল আলম মাসউদ স্বাক্ষরিত অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রেরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানী এবং একাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিসংখ্যান বিভাগ একটি ‘সত্যানুসন্ধান’ কমিটির মাধ্যমে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায় এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। আনীত অভিযোগসমূহ অধিকতর অনুসন্ধান ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদানের নিমিত্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলাকালীন তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, অধ্যাপক প্রভাস কুমারকে সকল প্রকার প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে- এই বাবদ একটা চিঠি আমি পেয়েছি।
এর আগে, গত ১৩ আগস্ট ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা এই বিষয়ে বিচার চেয়ে বিভাগের সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর বিভাগ একটি ফ্যাক্টফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে ঘটনার সত্যতা পায়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।