৩৩ মাস পর মূল্যস্ফীতিতে স্বস্তি, তবে প্রকৃত আয় কমছে এখনও - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Casino Winbeast – ce qu’il faut savoir

৩৩ মাস পর মূল্যস্ফীতিতে স্বস্তি, তবে প্রকৃত আয় কমছে এখনও

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭১ বার দেখা হয়েছে

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় সমস্যা ছিল পণ্যের উচ্চমূল্য ও স্থায়ী মূল্যস্ফীতি। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ মাস, অর্থাৎ জুনে এসে এই চিত্রে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, জুনে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা গত ৩৩ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালের অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ।

মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ, অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। এই হার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনে যে পণ্য ১০০ টাকায় পাওয়া যেত, ২০২৫ সালের জুনে সেটির জন্য গুণতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৪৮ পয়সা।

যদিও জুনে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে, পুরো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ—গত ১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এর আগে ২০১০-১১ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতিও জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশে, যেখানে মে মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। যদিও চাল ও মাছসহ বেশ কিছু খাদ্যপণ্যের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী, তবে গড় হিসাবে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি নেমেছে ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশে।

মূল্যস্ফীতি কার্যত জনগণের জন্য এক ধরনের গোপন কর। যদি আয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যয়ের সুযোগ না থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষকে বেছে নিতে হয় ঋণ বা ব্যয় হ্রাসের মতো কঠিন পথ। আর এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয় যখন মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম হয়।

বিবিএসের তথ্য বলছে, জুন মাসে জাতীয় মজুরি বেড়েছে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ, যেখানে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ। অর্থাৎ আয় বাড়লেও তা বাজারমূল্যের বৃদ্ধির তুলনায় কম, ফলে প্রকৃত আয় কমে গেছে। এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে মজুরিনির্ভর সাধারণ মানুষের ওপর, যাদের জীবিকা নির্ভর করে মূলত নিম্ন দক্ষতার ১৪৫টি পেশার ওপর, যেগুলোর তথ্য বিবিএস নিয়মিত সংগ্রহ করে থাকে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT