
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশ এলাকায় ভয়াবহ দে’হব্যবসা চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ডাকসু সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন —
“কাল রাত বারোটা থেকে প্রায় ফজর পর্যন্ত আমি ক্যাম্পাসের আশপাশ এলাকায় একটা অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছি। বেশ কয়েকটা স্পটে ভয়াবহ রকম দে’হব্যবসা চলে। দুইটা গ্রুপ এদের, একটা গ্রুপ নারী আরেকটা গ্রুপ ট্রান্স। প্রত্যেকটা স্পটেই কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি সময় নিয়ে। নারীদের মধ্যে যারা এই কাজ করে তাদের অনেকেরই পরিবার আছে। পরিবার জানে তারা চাকরি করে বিভিন্ন জায়গায়।”
তিনি আরও লেখেন,
“এই পতিতাবৃত্তির সাথে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও জড়িত। কমিশন খেয়ে মদদ দেয় তারা। কয়েকজনের তথ্য নিয়ে এসেছি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিবো শীঘ্রই।”
এই বিষয় নিয়ে উদ্যোগ প্রকাশ করে এবি জুবায়ের পোস্টে আরও উল্লেখ করেন,
“সবচেয়ে এলার্মিং ব্যাপার হচ্ছে ট্রান্স নিয়ে। এদের মধ্যে একজনের ইংরেজি এক্সেন্ট খুব সুন্দর। জিজ্ঞেস করে জানলাম সে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবিতে অনার্স করছে। বিলাসবহুল জীবন তার। তার সাথে কথাবার্তা বলে সামারি যেটা পেলাম – তার মতো এমন প্রস্টিটিউটের সংখ্যা প্রচুর। সার্জারী করে শরীরটা মেয়েদের মতো বানিয়ে দেহব্যবসায় নেমে পড়ছে বহু ছেলে/হিজড়া। দিনের আলোয় এদের অনেকেই আবার বিভিন্ন ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট, এমপ্লয়ি।”
উদ্যোগ প্রকাশের পাশাপাশি তিনি সবাইকে সতর্ক করে লিখেন,
“জিনিসটা আসলেই এলার্মিং। মানুষজন যদি এখনো এই বিকৃতির ব্যাপারে সচেতন না হয়, প্রতিরোধ গড়ে না তুলে সামনে ভয়াবহ যুগ আসতেছে।”