আহত নুরুল হক নুর জ্ঞান ফিরলেও শঙ্কামুক্ত নন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

আহত নুরুল হক নুর জ্ঞান ফিরলেও শঙ্কামুক্ত নন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৯ বার দেখা হয়েছে

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি আছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় আঘাতজনিত কারণে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও পানি জমাট বেঁধেছে। যদিও জ্ঞান ফিরেছে, তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন।

ঢামেক নিউরো সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, “জ্ঞান ফিরলেও নূর এখনও শঙ্কামুক্ত নন। তার মাথার ভেতরে পানি জমাট বেঁধেছে।” হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, নুরুল হকের মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং নাকের হাড় ভেঙে গেছে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলেও তা আপাতত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে তাকে সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত বলা সম্ভব নয়। শুক্রবার রাতেই তার চিকিৎসায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। এ ছাড়া শনিবার সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসায় নির্দেশনা দেন।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রাত সোয়া ৮টার দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নুরুল হক নুর, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। রক্তাক্ত অবস্থায় নুরকে উদ্ধার করে ঢামেকে নেওয়া হয় এবং আইসিইউতে রাখা হয়।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে রাশেদ খান জানান, চিকিৎসকদের বরাতে তারা জেনেছেন নূরের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নূরের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হলে সেনাপ্রধান ও প্রফেসর ইউনূসকে দায় নিতে হবে। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া, সেনা ও পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, এবং আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেন। অন্যথায় ‘যমুনা ঘেরাও’ কর্মসূচির হুমকিও দেন তিনি।

সংঘর্ষ নিয়ে দুই পক্ষ পরস্পরবিরোধী দাবি করেছে। গণঅধিকার পরিষদ অভিযোগ করেছে, তাদের মিছিলে পেছন থেকে জাতীয় পার্টির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তবে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদের মিছিল। ঘটনার পরপরই সেনা, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে গণঅধিকার পরিষদ মশাল মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী দাবি করেছেন, তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT