নড়াইলে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা; রক্তাক্ত দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’

নড়াইলে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

নড়াইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৬৬ বার দেখা হয়েছে

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে উপজেলার রঘুনাথপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন যুব সংঘের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ষাঁড়ের লড়াই অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর গড়াতেই রঘুনাথপুর বিদ্যালয়ের মাঠের চারপাশে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কেউ স্কুলের বারান্দায়, কেউ বাড়ির ছাদে, আবার কেউ গাছে উঠে উপভোগ করেন এ লড়াই। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করাও লড়াই দেখতে ভিড় জমান।

প্রতিযোগিতায় আড়পাড়া, যাদবপুর, শোলপুর, মির্জাপর, পেড়লীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩০টি ষাঁড় অংশ নেয়।

মির্জাপুর থেকে আসা সুবুদ্ধি বিশ্বাস বলেন, ‘আমিসহ আমাদের গ্রাম থেকে নসিমন যোগে ১৫ জন এক সঙ্গে ষাঁড়ের লড়াই দেখেছি। ষাঁড়ের লড়াই দেখার আনন্দেই আলাদা। যদি বৃষ্টি না হতো তাহলে এখানে আসা মানুষ আরও সুন্দরভাবে এ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে পারত।’

আয়োজকদের মতে, গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক ঐক্যের প্রতীক এই ষাঁড়ের লড়াই। আমাদের সকলের পুরোনো এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে করে আগামী প্রজন্ম কাছে এটি জীবন্ত থাকে। ষাঁড়ের লড়াই শুধু একটি সাধারণ খেলা নয়, এটি বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামীণ সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব, যা আগামী প্রজন্মের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT