কুড়িগ্রামে নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সড়ক সংস্কারের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ ভোলা বরিশাল সেতুর দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু শেষ হলো কুবির পঞ্চম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

মোঃ জাকারিয়া হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১০ বার দেখা হয়েছে

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৯টার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সব নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে, তবে পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকায় নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে শঙ্কা বাড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুড়িগ্রাম অফিস সূত্রে জানা যায়—

  • ধরলা নদী (কুড়িগ্রাম পয়েন্ট): বিপদসীমা ২৬.০৫ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় পানি ছিল ২৫.১৩ মিটার, সকাল ৯টায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৫.১৯ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ২০.০ মিমি।

  • দুধকুমার নদী (পাটেশ্বরী পয়েন্ট): বিপদসীমা ২৯.৬০ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ২৯.১০ মিটার থেকে সামান্য কমে সকাল ৯টায় দাঁড়ায় ২৯.০৮ মিটার। বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮৯.০ মিমি।

  • ব্রহ্মপুত্র নদী (নুনখাওয়া পয়েন্ট): বিপদসীমা ২৬.০৫ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ছিল ২৪.৬৯ মিটার, সকাল ৯টায় বেড়ে ২৪.৭১ মিটার।

  • ব্রহ্মপুত্র নদী (হাতিয়া পয়েন্ট): বিপদসীমা ২৪.৪০ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ২৩.০৭ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৯টায় দাঁড়ায় ২৩.১০ মিটার।

  • ব্রহ্মপুত্র নদী (চিলমারী পয়েন্ট): বিপদসীমা ২৩.২৫ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ছিল ২২.১৬ মিটার, সকাল ৯টায় বেড়ে ২২.১৭ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ৬৩.০ মিমি।

  • তিস্তা নদী (কাউনিয়া পয়েন্ট): বিপদসীমা ২৯.৩১ মিটার। সকাল ৬টায় পানি ছিল ২৮.৯৫ মিটার, সকাল ৯টায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮.৯৭ মিটার। বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩৮.০ মিমি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কুড়িগ্রাম উপ-পরিচালক মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “উজানের ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে রৌমারী, রাজীবপুর, চিলমারী, উলিপুর ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। স্থানীয়দের সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।”

স্থানীয়রা জানান, নদীর পানি বাড়তে শুরু করায় চর ও নিম্নাঞ্চলের অনেক পরিবার ইতিমধ্যে গবাদি পশু ও ঘরের আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। একইসঙ্গে তীব্র স্রোতের কারণে নদী ভাঙনও দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিপদ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT