সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ নিয়োগের লক্ষ্যে চলতি বছর জুনের মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয় গত ১০ আগস্ট। মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকে ১৩ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত। এবারে মাঠ পর্যায়ে কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রায় ২ হাজার পরীক্ষার্থী।
মাঠ পর্যায়ে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পরীক্ষা কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে কুড়িগ্রাম পুলিশ লাইন্স গেটের বাহিরে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার শর্তে বিভিন্ন পরীক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ করে একটি দালাল চক্র। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১০ আগস্ট কুড়িগ্রাম ডিবি পুলিশের একটি টিম আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে নিয়োগ সংক্রান্ত ভুয়া কাগজপত্র সহ দালাল চক্রের ৩ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার নারায়নপুর কুলামুয়া কালার চর এলাকার মো. নুরনবী ইসলাম (১৮), কচাকাটা মাদারগঞ্জ এলাকার মো. হজরত আলী (৪৮) ও গাইবান্ধা ফুলছড়ি এলাকার মো. সোলায়মান মিয়া (৫০)।
অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষায় অসৎ উপায় অবলম্বন, জ্বাল কাগজপত্র ও নিয়োগ কমিটির স্বাক্ষর জাল করার দায়ে ২ জন পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রাম ডিবি পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মাঠ রাজারহাট কিশামত পাইকপাড়া এলাকার মো. নাহিদ মিয়া (১৯) ও ফুলবাড়ী আতিয়াবাড়ি এলাকার মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (১৯)।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ও ওসি ডিবি মো. বজলার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কুড়িগ্রাম জেলায় চলমান বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ জুন ২০২৫ এর মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হচ্ছে। আমরা ইতিপূর্বে কুড়িগ্রাম জেলায় শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এবারও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আমরা বদ্ধ পরিকর