সংসদীয় নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অনন্য রেকর্ড: যে আসনেই লড়েছেন, সেখানেই জয় - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিকে চিঠি পাঠাল পিসিবি জঙ্গল ছলিমপুরে সন্ত্রাসী তাণ্ডব, র‍্যাবের ডিএডি নিহত তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

সংসদীয় নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অনন্য রেকর্ড: যে আসনেই লড়েছেন, সেখানেই জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী রেকর্ড গড়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারটি সাধারণ নির্বাচনে তিনি যে আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। একাধিক আসনে একযোগে নির্বাচন করে শতভাগ জয় পাওয়ার নজির দেশীয় রাজনীতিতে বিরল।

বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাধিক আসনে প্রার্থী হন। প্রতিবারই তিনি সব আসনে জয় লাভ করেন এবং পরে সংবিধান অনুযায়ী একটি আসন রেখে বাকিগুলো ছেড়ে দেন।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৭, ঢাকা-৫, ঢাকা-৯, ফেনী-১ ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পাঁচটি আসনেই জয়ী হয়ে তিনি ফেনী-১ আসনটি রেখে বাকি চারটি আসন ত্যাগ করেন।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ ও চট্টগ্রাম-১ আসনে নির্বাচন করেন। সবগুলো আসনে বিজয়ী হয়ে আবারও ফেনী-১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া বগুড়া-৬, বগুড়া-৭, ফেনী-১, লক্ষ্মীপুর-২ ও চট্টগ্রাম-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনেও তিনি সব আসনে জয়ী হয়ে শেষ পর্যন্ত বগুড়া-৬ আসনের প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১—এই তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং তিনটিতেই বিজয়ী হন। পরে তিনি ফেনী-১ আসনটি রেখে দেন।

তার নির্বাচনী ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রামের আসনগুলোতেই তিনি সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এছাড়া ১৯৯১ সালে ঢাকা এবং ২০০১ সালে খুলনার একটি আসন থেকেও তিনি নির্বাচন করেন।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুধু জয় নয়—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে তার ভোটের ব্যবধান ছিল উল্লেখযোগ্য, যা তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক প্রভাবের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়।

ক্ষমতায় থাকাকালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষা খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে বাধ্যতামূলক বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা, মেয়েদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা, ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং শিক্ষা কার্যক্রমে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয় এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করা হয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT