জামায়াতের নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিলের শুনানি শুরু - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে ৩০০ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার যুক্তরাজ্যের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এতিমখানায় কার্পেট উপহার প্রদান বুটেক্সে জুলাই কালচারাল সেন্টারের উদ্যোগে ‘সুফরাতুল ইয়াতামা’ বালিয়াকান্দি রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুবির ৭২ শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত নানিয়ারচর জোন কর্তৃক ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদ উপহার ও আর্থিক অনুদান প্রদান কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ রাজবাড়ীতে আলুভর্তি ট্রাক উল্টে নিহত ১ অসহায়-প্রতিবন্ধী পরিবারে ঈদ উপহার দিল সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

জামায়াতের নিবন্ধন ফিরে পেতে আপিলের শুনানি শুরু

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ১৭৮ বার দেখা হয়েছে
জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন ফিরে পেতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০টা থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন ফিরে পেতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০টা থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের এবং অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।

উল্লেখ্য, এর আগে ৭ মে আপিল বিভাগ ১৩ মে শুনানির দিন নির্ধারণ করে। যদিও গত ১২ মার্চ একবার শুনানি শুরু হয়েছিল, তবে তা এগোয়নি। পরে আপিল বিভাগ আবারও শুনানির উদ্যোগ নেয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিরুদ্ধে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আদেশ দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত, যা দলটিকে আইনি লড়াইয়ের নতুন সুযোগ এনে দেয়। এর আগে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট একটি রায়ে জামায়াতকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেওয়া অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর নির্বাচন কমিশন ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এছাড়া, ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকটি শুধুমাত্র ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়। পরে ২০১৭ সালে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় সংশোধন এনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বাতিল করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর দাবি, দলটি ১৯৮৬ সাল থেকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ ব্যবহার করে আসছে এবং এটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বর্তমানে দলটি নিবন্ধন ও প্রতীক না থাকায় জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারছে না।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালের ১ আগস্ট সরকার জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও, একই বছরের ২৮ আগস্ট সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT