নোটিশ:
শিরোনামঃ
নগরের নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা জনস্বাস্থ্যনীতিরও অংশ ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ধোঁয়াশা, সাত প্রদেশে শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত তিন লাখের বেশি নেপালের বন্যা পুনর্গঠনে জাতিসংঘ তহবিলের ২ কোটি ডলারের প্রাথমিক বরাদ্দ হরমুজ প্রণালিতে অক্টোবরে জাহাজে হামলার রেকর্ড, বাড়ছে নৌবাণিজ্যের ঝুঁকি ইউরোপের গ্রীষ্মের তাপে ৫০ হাজারের বেশি মৃত্যুর হিসাব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাডমিন্টন উন্নয়নে পাঁচ বছরের পরিকল্পনা, দেশে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের লক্ষ্য সুন্দরবনের প্রতিবেশে শিল্পকারখানার বায়ুদূষণ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার খবর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ ডেঙ্গুতে আরও তিন মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১২৯৯ রোগী

ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল!

প্রতিবেদকের ছবি
মিজানুর রহমান, ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২১ বার দেখা হয়েছে
লালন শাহ হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে হলের টিভি কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘ সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “লালন শাহ হল আমাদের কাছে কেবল একটি আবাসন নয়, এটি একটি পরিবারের মতো ছিল। এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা ও মূল্যবোধ আমাদের আগামীর পাথেয় হয়ে থাকবে।”

প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খান বলেন, “তোমাদের বিদায়ের শূন্যতা লালন শাহ হল অনুভব করবে। হলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তোমরাই ছিলে অগ্রণী। তোমাদের পরবর্তী জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “শিক্ষাজীবনে দুই জায়গায় আনন্দ পাওয়া যায়—একটি ক্লাসরুম, অন্যটি আবাসিক হল। হলজীবনে নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরির সুযোগ পাওয়া যায়। যেহেতু এই হলটি ২০ বছর পুরোনো, সুতরাং এখানে অ্যালামনাই গঠন করা যেতে পারে। সবাই শিক্ষিত পরিচয় দেবে, তবে আমার ছাত্ররা সুশিক্ষিত হবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।”

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যমে জীবনের একটি সাফল্যের সিঁড়ি অতিক্রম করেছো। পরবর্তীতে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করার দায়িত্ব তোমাদের নিতে হবে। ছোটবেলা থেকে মা-বাবা তোমাদের লালন-পালন করেছেন—পেশাগত জীবনে গিয়ে তাদের ভুলে যেও না। কুরআনের বাণী অনুযায়ী তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করো না, যাতে তারা ‘উফ’ বলে।”

সবশেষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে হলের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT