নোটিশ:
শিরোনামঃ
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন করেছে সরকার বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্যে নতুন খাত ও ডিজিটাল ট্রেড সহযোগিতার উদ্যোগ নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি আজ টোকিও ফ্যাশন এক্সপোতে বাংলাদেশের পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াপণ্য সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.১২ বিলিয়ন ডলার বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভায় নিজস্ব সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরবে বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্নে জার্মানির সমর্থন আবাসন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যুতে এডিবির ২৭৭.৭২ মিলিয়ন ডলার সহায়তা বিমানের বহরে আসছে ১০টি এয়ারবাস, থাকবে চারটি A350-900

ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল!

প্রতিবেদকের ছবি
মিজানুর রহমান, ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৭ বার দেখা হয়েছে
লালন শাহ হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে হলের টিভি কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘ সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “লালন শাহ হল আমাদের কাছে কেবল একটি আবাসন নয়, এটি একটি পরিবারের মতো ছিল। এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা ও মূল্যবোধ আমাদের আগামীর পাথেয় হয়ে থাকবে।”

প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খান বলেন, “তোমাদের বিদায়ের শূন্যতা লালন শাহ হল অনুভব করবে। হলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তোমরাই ছিলে অগ্রণী। তোমাদের পরবর্তী জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “শিক্ষাজীবনে দুই জায়গায় আনন্দ পাওয়া যায়—একটি ক্লাসরুম, অন্যটি আবাসিক হল। হলজীবনে নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরির সুযোগ পাওয়া যায়। যেহেতু এই হলটি ২০ বছর পুরোনো, সুতরাং এখানে অ্যালামনাই গঠন করা যেতে পারে। সবাই শিক্ষিত পরিচয় দেবে, তবে আমার ছাত্ররা সুশিক্ষিত হবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।”

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যমে জীবনের একটি সাফল্যের সিঁড়ি অতিক্রম করেছো। পরবর্তীতে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করার দায়িত্ব তোমাদের নিতে হবে। ছোটবেলা থেকে মা-বাবা তোমাদের লালন-পালন করেছেন—পেশাগত জীবনে গিয়ে তাদের ভুলে যেও না। কুরআনের বাণী অনুযায়ী তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করো না, যাতে তারা ‘উফ’ বলে।”

সবশেষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে হলের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT