ইন্দোনেশিয়ায় নামাজ চলাকালীন স্কুল ধসে নিহত কমপক্ষে ৩, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু শিক্ষার্থী - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

ইন্দোনেশিয়ায় নামাজ চলাকালীন স্কুল ধসে নিহত কমপক্ষে ৩, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু শিক্ষার্থী

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৬ বার দেখা হয়েছে

পূর্ব জাভার সিদোয়ারজোতে নামাজ চলাকালীন মুহূর্তেই ভবন ধসে পড়ে; আহত ৭৭ জন হাসপাতালে, আটকা ৩৮ জনকে উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশে একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুল ভবন ধসে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিদোয়ারজো শহরের আল খোজিনী ইসলামিক স্কুলে জোহরের নামাজের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আটকা ৩৮ জনকে উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ পর্যন্ত ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, অন্তত ৯১ জন বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। আহত ৭৭ জনকে স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়েছে। সেনা, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরা রাতভর মাটি ও কংক্রিট সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। আটকে পড়া ব্যক্তিদের কাছে অক্সিজেন ও পানি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, নামাজ চলাকালীন ভবন কেঁপে ওঠে এবং মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে। বেঁচে যাওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, মেয়েরা ভবনের অন্য অংশে নামাজ পড়ছিলেন বলে তারা বেরিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের বয়স ১২ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। আহতদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন আহত শিক্ষার্থীকে বের করার সময় পরিবারের কান্না ও হাহাকার চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্বজনরা হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে অপেক্ষা করছেন প্রিয়জনের খোঁজে।

পুলিশের মুখপাত্র জুলেস আব্রাহাম আবাস্ত জানান, ভবনটিতে অনুমতি ছাড়া সম্প্রসারণ কাজ চলছিল এবং অতিরিক্ত বোঝা পুরোনো ভিত্তি সইতে না পেরে ধস নামে। ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হলেও ধ্বংসস্তূপ অনিরাপদ থাকায় মাঝেমধ্যে অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবনের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT