বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬৭ বার দেখা হয়েছে

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক মন্দার মধ্যে আছে। বড় ক্রেতা বাংলাদেশ আর সৌদি আরব ভারত থেকে পেঁয়াজ কম কিনছে। এদিকে, এই দেশগুলো পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজের দিকে ঝুঁকেছে। ফলে ভারতের রপ্তানি ব্যবসা এবং খাত সংশ্লিষ্ট কৃষকরা সমস্যার মুখে পড়েছেন।

ভারতের রপ্তানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশে ভারতীয় পেঁয়াজের রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। একসময় ভারতের মোট রপ্তানির তিনচতুর্থাংশ বাংলাদেশে পাঠানো হতো। কিন্তু গত আট মাসে ঢাকা মাত্র অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করেছে। এছাড়া সৌদি আরবও প্রায় এক বছর ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের রপ্তানি-নীতি এবং স্থানীয় বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে ক্রেতারা বিকল্প উৎস খুঁজেছে। পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজ এখন এই বিকল্প হিসেবে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় পেঁয়াজ খাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ছে।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা জানান, অবৈধভাবে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। এ কারণে আমদানিকারক দেশগুলো নিজেদের পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি করছে এবং স্বনির্ভর হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের আধিপত্য কমে গেছে।

রপ্তানিকারক অজিত শাহ ইকোনোমিক টাইমসকে বলেছেন, “আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে থাকলে ভালো দাম পেতাম, কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্রেতারা বিকল্প খুঁজেছে। এখন তারা মূলত কম দামের দিকে নজর দিচ্ছে, কোয়ালিটি নয়।”

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ৬ মাসের জন্য, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আরও ৫ মাসের জন্য পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের মতো নির্ভরশীল দেশে দাম বেড়ে যায় এবং তারা বিকল্প উৎসের দিকে চলে যায়।

পরিস্থিতি এভাবে চললে, ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্রমেই তাদের মূল বাজার হারাচ্ছেন। রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎসের কারণে ভারতের পেঁয়াজ চাষিরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT