
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। তার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনায় একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে। পার্লামেন্টের বাইরে শুরু হওয়া অবস্থান ধর্মঘটের প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত আসে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর আলি খানের নেতৃত্বে ইসলামাবাদে সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। এতে যোগ দেন বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান আছাকজাই। একই সময়ে খাইবার-পাখতুনখোয়া হাউসে পৃথক বিক্ষোভ চালিয়ে যান প্রাদেশিক নেতারা। দুই স্থানেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, ইমরান খানের চোখের চিকিৎসার জন্য তাকে জরুরিভিত্তিতে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। তাদের ভাষ্য, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না দেওয়া হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
শনিবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে ইমরান খানের চোখের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হবে। তিনি গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানান।
এদিকে সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী বলেছেন, একজন কারাবন্দি হিসেবে যে মানবাধিকার প্রাপ্য, ইমরান খান তা পাবেন। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।