বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের গগন হরকরা গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
এসময় ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মু. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং দা‘ওয়াহ্ সম্পাদক আসিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন দা’ওয়াহ্ এণ্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ.ছ.ম. তরিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল-হাদিস এণ্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার হোসেন ,অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ড. আব্দুল মান্নান। এছাড়াও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, কুরআন পড়ার পরে কারো মাথার ভেতর যদি ঢুকে যে এটা পড়ে একটা চাকরি করে খাব। তাহলে এটা হলো আপনার জন্য কুফুরী। কোরআন শিখে যারা এটার প্রচার, প্রসার এবং মানুষের কাছে এর আহ্বান টুকু পৌঁছায় না তাদের কে কিয়ামত দিন আল্লাহ তায়ালা অন্ধ করে উঠাবেন। নাস্তিকদের আগ্রাশনের কারণে এবং সাংস্কৃতির ইজিমনির কারণে তারা নিজেদের অস্তিত্বকে হারিয়ে নিজেকে হাফেজে কুরআন হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে অনেকে আমরা দেখেছি। যদি কেউ হাফেজে কোরআন হয় কেয়ামতের ময়দানে তার অনেক মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে তাকে মুকুট পরানো হবে । সে তেলাওয়াত করতে থাকবে যত দূর তেলাওয়াত করবে আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে তাকে ততদুর স্থান বরাদ্দ দিবেন। আমাদের মত গায়েরে হাফেজদের জন্য তো এই সৌভাগ্য নাই আপনারা যারা হাফেজ হয়েছেন আল্লাহ তায়ালা আপনাদের এই সৌভাগ্যতা অর্জন করার সুযোগ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত মে মাসে অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ইবিতে অধ্যয়নরত হাফেজে কুরআনদের তালিকা সংগ্রহ করে।