সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আব্দুল আজিজ আল-আল-শাইখ ইন্তেকাল করেছেন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আব্দুল আজিজ আল-আল-শাইখ ইন্তেকাল করেছেন

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৬ বার দেখা হয়েছে

সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম শায়খ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আল-আল-শাইখ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৮১ বছর। সৌদি রয়্যাল কোর্ট এ খবর নিশ্চিত করেছে। মরহুমের জানাজা নামাজ রিয়াদের ইমাম তুরকি বিন আবদুল্লাহ মসজিদে নামাজ আসরের পর অনুষ্ঠিত হবে এবং গায়েবানা জানাজা পড়ানো হবে মক্কার মসজিদুল হারাম, মদিনার মসজিদে নববীসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন মসজিদে। বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং ইসলামী বিশ্বে তার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।

শায়খ আব্দুল আজিজ আল-আল-শাইখ ১৯৯৯ সালে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ পান শায়খ আব্দুল আজিজ বিন বাজের মৃত্যুর পর। প্রায় ৩৫ বছর তিনি আরাফাত দিবসে মসজিদে নামিরায় খুতবাহ প্রদান করেছেন, যা সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। ১৯৮১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিতভাবে হজের খুতবাহ দেন এবং পরে বয়সজনিত কারণে এই দায়িত্ব থেকে অবসর নেন। তার খুতবাহগুলোতে ইসলামি আইন, তাওহীদ, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর জোর দেওয়া হতো।

তিনি সৌদি আরবের অন্যতম প্রভাবশালী ধর্মীয় পরিবার আল-আল-শাইখ বংশে ১৯৪০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবেই তিনি কোরআন হিফজ করেন এবং পরে ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে শরিয়াহ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অফ সিনিয়র স্কলার্স ও স্থায়ী ফতোয়া কমিটির প্রধান হন। তার নেতৃত্বে ফতোয়া, দাওয়াহ এবং ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সংযত ও ঐতিহ্যবাদী। তার খুতবাহ ও বক্তব্যে সবসময় মুসলমানদের মাঝে ঐক্য, সৎপথে চলা এবং শরিয়াহভিত্তিক জীবনযাপনের আহ্বান পাওয়া যেত। তিনি জনপ্রিয় রেডিও ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নূর আলা দরব–এ নিয়মিত অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিতেন এবং দিকনির্দেশনা দিতেন।

তার মৃত্যুকে ইসলামী বিশ্বে এক বড় শূন্যতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন দেশ ও ইসলামি সংগঠন ইতোমধ্যে শোক প্রকাশ করেছে। সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে তিনি মুসলিম উম্মাহর মাঝে গভীর প্রভাব রেখে গেছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT