জাতীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রহরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার পর হাত তুলে সম্মিলিত দোয়া - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ইবিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন: সভাপতি সাকিব, সম্পাদক রবিউল কুড়িগ্রামে ট্রাক্টরের আঘাতে অটোচালক নিহত, ৪ জন আহত উলিপুরে সিনেমার মতো ধাওয়া! উল্টে গেল সিএনজি, মিলল ২৭ কেজি গাঁজা নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান প্রদান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন কুবিতে জুমার নামাজে জায়গা সংকট, ৬ মাস ধরে বন্ধ মসজিদ সম্প্রসারণ কাজ পেট্রোল পেতে আর লাইনে দাঁড়ানো নয়! চালু হলো ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ মালয়েশিয়া খুলছে! প্রবাসে যাওয়ার স্বপ্নে নতুন আলো আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন তেল আছে, তবুও মিলছে না! বালিয়াকান্দিতে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগে ক্ষোভ

জাতীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রহরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার পর হাত তুলে সম্মিলিত দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮১ বার দেখা হয়েছে

মহান একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতীয় শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এবার সম্মিলিতভাবে ভাষাশহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এভাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে দোয়া-মোনাজাত যুক্ত হওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষাশহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে উপস্থিত রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা, মন্ত্রী-এমপি, দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সম্মিলিতভাবে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করেন।

রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় এই সংযোজনকে অনেকেই ইতিবাচক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ভাষা আন্দোলন ছিল জাতির আত্মপরিচয় ও মর্যাদার সংগ্রাম। সেই শহীদদের স্মরণে শুধু ফুলেল শ্রদ্ধা নয়, দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে আত্মার মাগফিরাত কামনা করা বাঙালি মুসলিম সমাজের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় চেতনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরও অনেকে। তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় ভাষার অধিকার, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ রোপণ করে। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে একুশের প্রহরে শ্রদ্ধা ও দোয়া—দুইয়ের সমন্বয় জাতীয় চেতনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহল থেকে এ উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগ কেবল ঐতিহাসিক স্মৃতি নয়; তা জাতির নৈতিক শক্তির উৎস। তাই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে তাদের জন্য সম্মিলিত দোয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আত্মিক দায়বদ্ধতার বার্তাও বহন করে।

জাতীয় শহীদ মিনারে প্রতি বছর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান। তবে এবারের আয়োজনে দোয়া-মোনাজাতের সংযোজন একুশের চেতনাকে ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সমন্বিত করে স্মরণ করার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল—এমনটাই বলছেন অনেকে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT