জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে

- আপডেট সময় বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
- ১১ বার দেখা হয়েছে


সম্পাদকীয়: জলবায়ু সংকটের অভিঘাত সবচেয়ে বেশি বহন করছে এমন বহু দেশ, যাদের ঐতিহাসিক নিঃসরণ তুলনামূলক কম। অথচ ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নের সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া সহায়তার ব্যবধান ক্রমেই প্রকট হচ্ছে।
জাতিসংঘের ২০২৬ সালের Adaptation Gap Report নিয়ে ৪ নভেম্বর রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে উন্নত দেশগুলোর অভিযোজন অর্থায়ন ছিল প্রায় ২৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বার্ষিক প্রয়োজনের অনুমান প্রায় ৩০৫ বিলিয়ন ডলার। সংখ্যাগুলোই দেখায়, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উচ্চারিত অঙ্গীকারের পাশাপাশি বাস্তব অর্থছাড়, স্বচ্ছ হিসাব এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফলাফল মূল্যায়ন কত জরুরি।
বাংলাদেশের উপকূলীয় বাঁধ, নিরাপদ পানি, লবণাক্ততা মোকাবিলা, আগাম সতর্কতা ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষিতে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রকল্প বাছাইয়ে স্থানীয় মানুষের মতামত, স্বাধীন নিরীক্ষা এবং সময়মতো অর্থছাড় নিশ্চিত করতে হবে।
জলবায়ু ন্যায়বিচারকে কেবল বৈশ্বিক স্লোগান হিসেবে রেখে দিলে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জীবন বদলাবে না। প্রতিশ্রুত অর্থ কোথায়, কখন এবং কী ফল নিয়ে পৌঁছাল—সেই জবাবদিহিই এখন অগ্রাধিকার।
তথ্যসূত্র: Reuters, 4 November 2026। ছবি প্রতীকী।






Leave a Reply