
গত সোমবার বিকেলে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে (গুলশান, ঢাকা) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তালিকা ঘোষণা করা হয়। তালিকা অনুযায়ী পার্টি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে নিজ চেয়ারম্যান ও চেয়ারপারসনকে প্রার্থী করেছে। খালেদা জিয়া (চেয়ারপারসন) নিজে দাঁড়াবেন দিনাজপুর‑৩, বগুড়া‑৭ ও ফেনী‑১ আসনে। তারেক রহমান (অভিভাবক চেয়ারপারসন) এই প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বগুড়া‑৬ আসনে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেই দাঁড়াবেন ঠাকুরগাঁও‑১ থেকে।
বিএনপি জানায়, এই তালিকা “প্রাথমিক” — বাকী আসন, জোটশরীক ও পার্টি‑আভ্যন্তরীণ আলোচনা শেষে চূড়ান্ত করা হবে। দলীয় সূত্র বলছে, এমন অনেক আসন রয়েছে যেখানে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বা জোটশরীকের জন্য রাখা হয়েছে।
তালিকায় নামের না থাকা বড় কিছু দলের শীর্ষ নেতার নাম প্রকাশ পেয়েছে:
নিচে কিছু অনুপস্থিত নেতার নাম এবং সেখানে প্রেক্ষাপট দেওয়া হলো:
রুহুল কবির রিজভী — বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এই প্রথম তালিকায় নাম নেই। এর কারণ হিসেবে দলীয় সূত্র বলছে, তিনি নির্বাচনী প্রচারণা ও সমন্বয়ভিত্তিক দায়িত্ব পেয়েছেন, তাই প্রার্থীরূপে রাখা হয়নি।
নাজরুল ইসলাম খান — বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তালিকায় নেই।
হাবিব উন নবী খান সোহেল — যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে পরিচিত। তালিকায় নাম নেই বলে প্রচার আছে।
শামসুজ্জামান দুদু — বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তালিকায় নেই।
আসলাম চৌধুরী — তালিকায় নেই, যদিও দলীয় নেতৃত্বে ছিলেন ।
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল — চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে সক্রিয়, তবে তালিকায় নাম নেই।
অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন — তালিকায় নেই।
আব্দুস সালাম — তালিকায় নেই ।
হুমায়ুন কবির — তালিকার বাইরে।
রুমিন ফারহানা — বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, তালিকায় নেই।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু — প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে, তবে প্রার্থী তালিকায় নেই।
আফরোজা আব্বাস — মহিলা দলের সভানেত্রী ছিলেন, তালিকায় নেই।
আব্দুল হাই — মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, তালিকায় নেই।
সেলিমা রহমান — বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য; প্রথম তালিকায় নাম নেই বলে সংবাদ আছে।