নোটিশ:
শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডিসেম্বর থেকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরিকাঠামো, বৃদ্ধির অঙ্ক এখনো নির্ধারিত নয় যবিপ্রবির গবেষকের ন্যানো ইউরিয়া প্রযুক্তির পেটেন্ট অনুমোদন: মাঠপর্যায়ের ফল যাচাইয়ের তাগিদ ঢাকায় দুই দিনের সৌরবিদ্যুৎ প্রদর্শনী শুরু বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা দেখছে টয়োটা জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতির সঙ্গে চাই বাস্তবায়নের স্বচ্ছ হিসাব ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

ফিলিপাইনে আরসিবিসি ব্যাংকে বাজেয়াপ্ত ৮১ মিলিয়ন ডলার, দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৯৯ বার দেখা হয়েছে
Bangladesh Bank and RCBC

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) ব্যাংকে থাকা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান জানান, আদালতের আদেশে ফিলিপাইনের মাকাতি সিটিতে অবস্থিত আরসিবিসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে এই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে দীর্ঘ আইনি লড়াই, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উভয় দেশের আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত অর্থ আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে সুইফট কোড ব্যবহার করে প্রায় ৯৫১ মিলিয়ন ডলার সরানোর চেষ্টা করা হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ লেনদেন আটকে দেওয়া হলেও ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এছাড়া ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হলেও তা ফেরত আনা সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক হ্যাকার চক্র দেশীয় সহযোগীদের সহায়তায় এ অর্থ পাচার করেছিল।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলাটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ফিলিপাইন সরকারের সহযোগিতা এবং আদালতের আদেশের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত আনার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তবে পুরো অর্থ ফেরত পেতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ অর্থ চুরির ঘটনায় আট বছর পর এসে বাজেয়াপ্ত অর্থ উদ্ধারে বড় ধরনের অগ্রগতি হলো। সিআইডি বলছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আইনি পদক্ষেপের ফলে এ অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে। বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত এলে তা সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT