অ্যামাজন–ইবে–আলিবাবায় সরাসরি পণ্য বিক্রির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সীমান্তে তীব্র গুলি বিনিময়, পাকিস্তান–আফগানিস্তান উত্তেজনা চরমে জাককানইবিতে সমুদ্র ও জলবায়ু–বিষয়ক ‘Exploring the Blue Earth’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দুধকুমার নদে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ, স্বস্তিতে তীরবর্তী বাসিন্দারা ইবিতে জুলাই বিপ্লববিরোধী অভিযোগে ফের ৯ শিক্ষক বরখাস্ত নানিয়ারচর জোন (১৭ই বেংগল) এর মানবিক উদ্যো‌গে বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম নির্বাহী পরিচালক হলেন মো. সাদি উর রহিম জাদিদ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা জামায়াতের মনোনয়নে কে এই হিন্দু প্রার্থী ভারত ছাড়তে তড়িঘড়ি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল পশ্চিমবঙ্গে বেওয়ারিশ কুকুরের প্রহরায় বেঁচে গেল পরিত্যক্ত নবজাতক

অ্যামাজন–ইবে–আলিবাবায় সরাসরি পণ্য বিক্রির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্সকে গতিশীল করতে অ্যামাজন, আলিবাবা, ইবে ও অন্যান্য বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। নতুন বি২বি২সি কাঠামো রপ্তানিকারকদের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি খাত এখন আনুষ্ঠানিকভাবে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। অ্যামাজন, আলিবাবা, ইবে, ইটসি ও অন্যান্য বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বিদেশে পণ্য বিক্রির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২৪ নভেম্বর) বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা নতুন সার্কুলারে এই নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আন্তঃসীমান্ত ই-কমার্স কার্যক্রম সহজ করতে এবং বৈশ্বিক অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিজনেস-টু-বিজনেস-টু-কনজিউমার (বি২বি২সি) কাঠামোর অধীনে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বিদেশি কনসাইনি আর চূড়ান্ত ক্রেতা না হয়ে মধ্যবর্তী মার্কেটপ্লেস হিসেবে কাজ করতে পারবে, যা রপ্তানিকারকদের বড় সুবিধা এনে দেবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক এখন থেকে অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা, ইটসি কিংবা বৈশ্বিক তৃতীয় পক্ষের ওয়্যারহাউজের মাধ্যমে পণ্য রপ্তানির লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানিকারককে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বা ওয়্যারহাউজে নিবন্ধনের প্রমাণ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। প্রচলিত বিক্রয় চুক্তি না থাকলেও প্রফর্মা ইনভয়েসের ভিত্তিতে ন্যায্যমূল্য ঘোষণা করা যাবে।

এ ছাড়া রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ব্যাংকিং চ্যানেলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটরের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা যাবে। বিভিন্ন চালানের অর্থ একই সঙ্গে এলে ব্যাংক ‘ফার্স্ট-ইন, ফার্স্ট-আউট’ পদ্ধতিতে রপ্তানি আয়ের সমন্বয় করতে পারবে—যা অনলাইনভিত্তিক রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় সহজীকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারকদের সামনে আন্তর্জাতিক বাজার উন্মুক্ত করবে। বৈশ্বিক ডিজিটাল খুচরা বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আরো বহুমুখী হবে এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেশের উপস্থিতি শক্তিশালী হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT