নোটিশ:
শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডিসেম্বর থেকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরিকাঠামো, বৃদ্ধির অঙ্ক এখনো নির্ধারিত নয় যবিপ্রবির গবেষকের ন্যানো ইউরিয়া প্রযুক্তির পেটেন্ট অনুমোদন: মাঠপর্যায়ের ফল যাচাইয়ের তাগিদ ঢাকায় দুই দিনের সৌরবিদ্যুৎ প্রদর্শনী শুরু বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা দেখছে টয়োটা জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতির সঙ্গে চাই বাস্তবায়নের স্বচ্ছ হিসাব ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

আওয়ামী জুলুমিয়াত

প্রফেসর মোক্তার আহমেদ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫
  • ২৫৩ বার দেখা হয়েছে
প্রফেসর মোক্তার আহমেদ
বাইতুল্লাহ’র তৃতীয় এক্সটেনশনে আমার পাশেই ইতিকাফে বসেছেন একজন তরুন আলেম। ইফতারির ঠিক পরপর কাঁদো কাঁদো অবস্থায় এসে একটু রুকইয়া করে দিতে বলে কাঁদতে থাকলেন। সমগ্র শরীর ঘামাচ্ছে তার। রুকইয়া করে দিচ্ছি আর মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করছি, কি সমস্যা তার!
বললো, সমগ্র শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে,
আর বুক, মাথা, পেট ইত্যাদি দেখিয়ে বলছে যেনো
যেসব স্থানে রুকইয়া করে দেই।
কিভাবে কি হলো তা জানতে গিয়ে যা শুনলাম
তা আমাকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।
.
আল্লামা বাবুনগরীর (রহ.) সাথে মামলায়
২০২১ সালে এই তরুন আলেমকে ধরে নিয়ে যায়
বাহিনীর লোকজন।
বাবুনগরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে চাপ দেয়।
তাকে একমাস রিমান্ডে রাখে।
একাধারে ৬দিন পেছন থেকে হাত বেধে
দাঁড় করিয়ে রাখে।
বসতেও দেয় নি।
ফলে শরীর ফাটা শুরু করে।
পাশাপশি লজ্জাস্থানসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে
বিভিন্ন প্রকার নির্যাতন করতে থাকে।
হুমকি দেয়, জীবন শেষ করে দিবে
যদি এজেন্সির কথামত স্বীকারোক্তি না দেয়।
তিনি স্বীকারোক্তি দেননি।
আঘাতের ফলে আহত স্থানগুলো থেকে
পুঁজ ঝরতে শুরু করে।
.
আমি তার হাত, পা, পায়ের গোড়ালি,
হাত-পায়ের আঙুল,
গলায় নিচ, বুকের সামনের অংশের দিকে তাকালাম,
দেখলাম, এখনো সব প্রায় ফেটে ফেটে আছে,
হাত পায়ের নখগুলো কিছুটা সাদা,
আর চারিপাশের চামড়াগুলো ভয়াবহ কালো, ফাটা।
পায়ের গোড়ালিসহ টাকনুর নিচে তাকানো যাচ্ছেনা,
বিভৎস, ভয়ংকর, ভীতিকর।
ভয় পেতে হয়।
ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
এগুলো এমন হলো কিভাবে?
বললো, নির্যাতনের প্রভাবে,
আর এর প্রভাবেই সারা শরীরে ক্যান্সার এখন থার্ড স্টেজ।
.
আমি একটু অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে নিলাম,
আমার বেদনাহত চেহারা তার থেকে একটু লুকাতে।
আমি চোখ বন্ধ করলেই
এই তরুন আলেমের বেদনাক্লিষ্ট চেহারা
আমাকে অস্থির করে তোলে।
আমি জানি,
তার নিপীড়িত শরীর আর বেথাতুর চেহারা
দীর্ঘদিন আমাকে স্বপ্নেও তাড়া করে বেড়াবে।
.
এই ভয়াবহ অতীত দেশের মানুষের জীবনে
আর ফিরে না আসুক…
বাইতুল্লায় হাজারো বাংলাদেশীর সাথে
কদরের দশকে আমিও নিরন্তর সেই দুয়া করছি।
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT