ছেলেদের ইসলামী শিক্ষা নিশ্চিত করতে চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেবেন অনন্ত জলিল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
আওয়ামী দোসরদের নতুন জোট এনডিএফ–এর আত্মপ্রকাশ তুরস্কের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কুবির সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর কওমি ডিগ্রিধারীদের জন্য কাজী হওয়ার দরজা খুলল; আরও সরকারি খাত উন্মুক্তের দাবি সীমান্তে তীব্র গুলি বিনিময়, পাকিস্তান–আফগানিস্তান উত্তেজনা চরমে জাককানইবিতে সমুদ্র ও জলবায়ু–বিষয়ক ‘Exploring the Blue Earth’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত দুধকুমার নদে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ, স্বস্তিতে তীরবর্তী বাসিন্দারা ইবিতে জুলাই বিপ্লববিরোধী অভিযোগে ফের ৯ শিক্ষক বরখাস্ত নানিয়ারচর জোন (১৭ই বেংগল) এর মানবিক উদ্যো‌গে বিনামূল্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম নির্বাহী পরিচালক হলেন মো. সাদি উর রহিম জাদিদ আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ইবিতে আলোচনা সভা

ছেলেদের ইসলামী শিক্ষা নিশ্চিত করতে চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেবেন অনন্ত জলিল

বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৩ বার দেখা হয়েছে

ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপরিচিত অভিনেতা অনন্ত জলিল সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তার দুই ছেলে ইসলামিক শিক্ষায় গভীরভাবে নিয়োজিত এবং এজন্য তিনি চলচ্চিত্রে দীর্ঘমেয়াদি অংশগ্রহণ কমিয়ে দিতে চাইছেন। অনন্ত জলিল বলেন, “আমার হাতে যে কয়েকটি সিনেমা কাজ আছে, সেগুলো শেষ করে হয়তো চলচ্চিত্র ছেড়ে দেব। কারণ বাচ্চারা বড় হয়ে যাচ্ছে, আর আমি চাইছি, তারা ইসলামিক লেখাপড়া করবে আর আমি সিনেমা করি—এটা ভালো দেখায় না।”

অনন্ত-বর্ষার ঘরে আবারও ছেলে সন্তান

তিনি আরও বলেন, তার দুই ছেলে আরিজ ও আবরার। বড় ছেলে ১০ বছর বয়সী এবং ছোট ছেলে ৭ বছর বয়সী—ইসলামী শিক্ষায় অগ্রগতি করছে। বড় ছেলে ৮ পারা কোরআনে হাফেজ হয়েছেন, এবং ছোট ছেলেও কোরআন রিডিং শেষ করেছে ও দ্বিতীয়বার শুরু করেছে। অনন্ত জলিল জানান, “যখন বর্ষা প্রথম প্রেগন্যান্ট ছিলেন, তখনই আমরা পরিকল্পনা করেছিলাম আমাদের ছেলে হাফেজ ও মুফতি হবেন। পরবর্তীতে মদিনায় ইসলামিক পড়াশোনা করানো হবে।”

ছেলেদের ইসলামিক শিক্ষার জন্য অনন্ত জলিল ও তার স্ত্রী বর্ষা তাদের সন্তানদের মানারাতে স্কুলে ভর্তি করেছেন। সেখানে ইংলিশ মিডিয়ামের সঙ্গে ধর্মীয় পড়াশোনা হয়। অনন্ত জলিল বলেন, “ওরা জোহরের নামাজের পর স্কুলে আসে, বাসায় ফেরার পর ওদের শিক্ষকরা ঘরে আসেন, তারপর তারা মাদ্রাসায় চলে যায়। ওরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত। তাই বাচ্চাদের ওপর চাপ পড়া উচিত নয়, বরং তাদের ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

ছেলে-মেয়েদের ধর্মীয় চেতনায় প্রভাব রাখার পাশাপাশি অনন্ত জলিল পরিবারে নামাজ, কোরআন শিক্ষা ও ইসলামী মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা বাসায় নামাজের জন্য ইমাম নির্বাচন করি লটারি পদ্ধতিতে। সন্তানদের চরিত্র গঠনে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব সবসময় রেখেছি। যদি তারা হাফেজ হয়ে যায়, আমরা আনন্দের সঙ্গে চলচ্চিত্রে বিদায় নেব।”

বর্তমানে অনন্ত জলিলের হাতে থাকা চলচ্চিত্রের কাজও শেষ পর্যায়ে। তিনি জানান, “‘নেত্রী দ্য লিডার’ সিনেমার কাজ প্রায় ৭০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই মুক্তির জন্য প্রস্তুত হবে। এরপরই আমি ভাবছি যে, চলচ্চিত্র থেকে বিশ্রাম নেওয়া এবং পুরো মনোযোগ ছেলেদের ইসলামিক শিক্ষা নিশ্চিত করার দিকে নিবেদন করব।”

এভাবে অনন্ত জলিলের সিদ্ধান্ত তার পরিবারের ইসলামিক মূল্যবোধ, ছেলেদের ধর্মীয় শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। অভিনেতা নিজেও স্বীকার করেছেন, চলচ্চিত্রের আলোচনায় থাকলেও তার জীবনের মূল ফোকাস এখন ইসলামী শিক্ষার দিকে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT