সম্পত্তি ভাগাভাগি শেষে ৩০ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সেই বাবার লাশ দাফন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রক্তস্মৃতির শহীদি মসজিদে ২৬ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে খতম তারাবিহ পড়াচ্ছেন হাফেজ মাহফুজুর গ্রিস-এ ৬০ অননুমোদিত মসজিদ বন্ধে অভিযান, রমজানে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে উদ্বেগ স্পাইসজেটের ওপর বেবিচকের নিষেধাজ্ঞা, বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার বন্ধ গ্লোবাল ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বুটেক্সে আন্তর্জাতিক সেমিনার বুটেক্স চেস ক্লাব ও দাবাপাঠের উদ্যোগে প্রথম দাবা কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুবিতে আবাসিক হলে ঢুকে ছাত্রদল নেতা কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধর সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন, ইতালী শাখা’র উদ্যোগে মা‌হে রমজানে দরিদ্রদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেকৃবি সংলগ্ন মিনিবাজারে দ্রব্যমূল্যের চড়া দাম: অভিযোগে ছাত্রদল কর্মীর তদারকি কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী ইফতার কর্মসূচি সম্পত্তি ভাগাভাগি শেষে ৩০ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সেই বাবার লাশ দাফন

সম্পত্তি ভাগাভাগি শেষে ৩০ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সেই বাবার লাশ দাফন

মোঃ জাকারিয়া হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে পারিবারিক বিরোধের কারণে বাবার লাশ আটকে রাখা হয়েছিল প্রায় ৩০ ঘণ্টা। গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে স্ট্যাম্পে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে এবং উভয় পক্ষের স্বাক্ষরের পর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নাগেশ্বরী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পয়রাডাঙ্গা বাজার এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজিজার রহমান (৭৫) গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বার্ধক্যের কারণে মারা যান। পরদিন বুধবার বেলা ১১টায় জানাজার সময় নির্ধারণ করে এলাকায় মাইকিং করা হয়। তবে সম্পত্তি ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়নি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জীবদ্দশায় আজিজার রহমান বাড়িভিটাসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে টাইগারের নামে লিখে দেন। এ নিয়ে প্রথম পক্ষের ছেলে আবদুল হাকিমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জানাজায় অংশ নিতে এলাকাবাসী জড়ো হলে হাকিম সম্পত্তির সমবণ্টন নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে দাফনে আপত্তি তোলেন। এ ঘটনায় জানাজা স্থগিত হয়ে যায়। মরদেহ কাফন পরানো অবস্থায় বাড়ির আঙিনায় খাটিয়ায় রাখা ছিল।
দিনভর স্থানীয় মুরব্বি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা দুই পক্ষকে নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠক করেন। সন্ধ্যার পরও সমাধান না হওয়ায় পরিস্থিতি অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। অবশেষে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। বসতভিটার ২১ শতাংশ জমির মধ্যে দুই ভাই ৮ শতাংশ করে পাবেন এবং অবশিষ্ট অংশ বোনের প্রাপ্য হিসাবে থাকবে। পাশাপাশি আবাদি জমি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করা হয় এবং এতে উভয় পক্ষ স্বাক্ষর করে। সমঝোতার পর রাত ১১টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT