রাশিয়ার বৈদেশিক ঋণ ২০ বছরের সর্বোচ্চ, যুদ্ধ ব্যয় ও বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Casino Winbeast – ce qu’il faut savoir

রাশিয়ার বৈদেশিক ঋণ ২০ বছরের সর্বোচ্চ, যুদ্ধ ব্যয় ও বাজেট ঘাটতি মোকাবেলায় অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৮ বার দেখা হয়েছে

রাশিয়ার সরকারি বৈদেশিক ঋণ প্রায় ৬১.৯৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ছয় হাজার দুইশত কোটি ডলার) পৌঁছেছে, যা গত ২০ বছরে সর্বোচ্চ। দীর্ঘস্থায়ী ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার চাপ মোকাবেলায় দেশটিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নিতে হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে।

রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে রাশিয়ার মোট বৈদেশিক ঋণ ৩১৯.৮ বিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারি বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬১.৯৭ বিলিয়ন ডলার। ২০০৬ সালে সরকারী ঋণ ছিল ৭৬.৫ বিলিয়ন ডলার, যা পরের বছর কমে ৫২ বিলিয়ন ডলার। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ঋণ কখনো ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়নি, তবে এবার সেই সীমা অতিক্রম করেছে।

ঋণ বৃদ্ধির মূল কারণ হলো ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যয় এবং বাজেট ঘাটতি পূরণে ঋণগ্রহণ বৃদ্ধি। যুদ্ধের কারণে সরকারের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায়, বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ক্ষেত্রেই ঋণ নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে দেশটি অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে।

রাশিয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট ঋণের বৃদ্ধি অনেকটাই রুবলের মূল্যায়ন এবং কিছু প্রকল্পের জন্য নতুন ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে এসেছে। এই ঋণে সরকারি-বেসরকারি খাত উভয়ই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং চলতি অর্থবছরে ঋণের বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

সরকার যথাযথ ঋণ নীতিমালা মেনে চলার চেষ্টা করলেও, ঋণ-জিডিপি অনুপাত তুলনামূলকভাবে কম রাখা এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদিও রাশিয়ার সরকারি ঋণ জিডিপির তুলনায় কম, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ব্যয় এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘমেয়াদে বাজেট ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

এ অবস্থায় বিভিন্ন পেশাদার ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, ঋণ বৃদ্ধির এই প্রবণতা রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘমেয়াদে প্রভাবিত করতে পারে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT