কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা; রক্তাক্ত দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’

কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

শারাফাত হোসাইন, ‎​কুবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আদিবাসী ছাত্র সংসদ’-এর উদ্যোগে নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমার সভাপতিত্বে এবং মং ক্যএ মার্মা ও কাষ্পিয়ান দেওয়ানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২–১৩ শিক্ষাবর্ষের প্রাক্তন শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবরাজ দেববর্মা বলেন, “সংখ্যায় কম হলেও চিন্তা-চেতনায় এগিয়ে থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ত্রিপুরা রাজাদের অবদান, বীরচন্দ্র টাউন হল এবং সংগীত কিংবদন্তি সচিন দেববর্মণের স্মৃতি কুমিল্লার গৌরবময় ইতিহাসের অংশ।” তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সচিন দেববর্মণের নামে একটি আবাসিক হল নামকরণের প্রস্তাবও দেন।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “নিজেদের পরিচয় নিয়ে লজ্জিত বা সংকুচিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সবাই প্রথমে বাংলাদেশি। জাতিগত বৈচিত্র্য এই দেশের শক্তি।” তিনি আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্য নিয়ে লেখালেখিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতি বছর অন্তত একটি সাহিত্য ম্যাগাজিন প্রকাশের পরামর্শ দেন।

সংগঠনের সভাপতি সুইচিং মারমা বলেন, “আদিবাসী ছাত্র সংসদ শুধু নবীন বরণ ও বিদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আদিবাসী শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান, অধিকার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সেগুলো বিশ্বপর্যায়ে তুলে ধরাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।” তিনি ভবিষ্যতেও সংগঠনটি দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT