আওয়ামী দোসরদের নতুন জোট এনডিএফ–এর আত্মপ্রকাশ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
লালমনিরহাটের অটোমেটেড টার্নটেবিলে নিয়মিত ঘুরছে লোকোমোটিভ, কমছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বালিয়াকান্দিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দির বনগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বারেক শেখের মৃত্যু ফরিদপুরে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কেজি গজ রেখে সেলাইয়ের দেড় মাস পর রোগীর মৃত্যু বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট

আওয়ামী দোসরদের নতুন জোট এনডিএফ–এর আত্মপ্রকাশ

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৭ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর গুলশানে নতুন রাজনৈতিক জোট ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)’ আত্মপ্রকাশ করেছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে গুলশানের ইমানুয়েলস পার্টি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জোটটি আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জোটের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মুখপাত্র রুহুল আমিন হাওলাদার এবং গোলাম সারোয়ার মিলন, কাজী ফিরোজ রশীদ, মুজিবুল হক চুন্নু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মহসিন রশীদসহ আরও অনেকে।

জোটে অন্তর্ভুক্ত দলগুলো

নতুন এ জোটে রয়েছে—
জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগসহ মোট ১৮টি দল

আগামী নির্বাচন নিয়ে জোটের উদ্বেগ

সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন,
“আগামী নির্বাচন হতে যাচ্ছে মব কালচারের নির্বাচন। সরকার এখনো নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি করতে পারেনি।”

তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতির কথা বললেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জোটের উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা

জোট সম্পর্কে আনিসুল ইসলাম বলেন,
“১৮টি দল একীভূত হয়ে আমরা একটি রাজনৈতিক জোট গঠন করেছি। কেবল নির্বাচনি উদ্দেশ্য নয়, দেশের বিভাজন দূর করে ঐক্যের রাজনীতি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, অতীতের তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলো স্বল্প সময়েই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করেছিলেন। ১৯৯২, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচন সেই কারণে আজও গ্রহণযোগ্য।
“এমন পরিবেশ কেন সৃষ্টি করা যাচ্ছে না?”—সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশকে শোষণমুক্ত করার লক্ষ্যেই মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। অতীতের ভুলের জন্য দলীয়ভাবে ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

বিরোধপূর্ণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য

জুলাই আন্দোলনের পর দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক বিরোধপূর্ণ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন,
“আমরা অতীত নয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে চাই। পুরনো বিভাজন ভুলে গিয়ে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT