বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত ঢাবিতে ৩০ নভেম্বর থেকে সকল ক্লাস অনলাইনে — শীতকালীন ছুটি অনিশ্চিত ঝিনাইদহে কুলখানি–বিতর্কে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত, লন্ডনে চিকিৎসা নিতে পারেন খালেদা জিয়া

বাংলাদেশ মুখ ফিরানোয় ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সংকটে

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি সাম্প্রতিক সময়ে মারাত্মক মন্দার মধ্যে আছে। বড় ক্রেতা বাংলাদেশ আর সৌদি আরব ভারত থেকে পেঁয়াজ কম কিনছে। এদিকে, এই দেশগুলো পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজের দিকে ঝুঁকেছে। ফলে ভারতের রপ্তানি ব্যবসা এবং খাত সংশ্লিষ্ট কৃষকরা সমস্যার মুখে পড়েছেন।

ভারতের রপ্তানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশে ভারতীয় পেঁয়াজের রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। একসময় ভারতের মোট রপ্তানির তিনচতুর্থাংশ বাংলাদেশে পাঠানো হতো। কিন্তু গত আট মাসে ঢাকা মাত্র অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করেছে। এছাড়া সৌদি আরবও প্রায় এক বছর ধরে ভারত থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের রপ্তানি-নীতি এবং স্থানীয় বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে ক্রেতারা বিকল্প উৎস খুঁজেছে। পাকিস্তান ও চীনের পেঁয়াজ এখন এই বিকল্প হিসেবে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় পেঁয়াজ খাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ছে।

ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা জানান, অবৈধভাবে ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। এ কারণে আমদানিকারক দেশগুলো নিজেদের পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি করছে এবং স্বনির্ভর হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের আধিপত্য কমে গেছে।

রপ্তানিকারক অজিত শাহ ইকোনোমিক টাইমসকে বলেছেন, “আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে থাকলে ভালো দাম পেতাম, কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্রেতারা বিকল্প খুঁজেছে। এখন তারা মূলত কম দামের দিকে নজর দিচ্ছে, কোয়ালিটি নয়।”

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ৬ মাসের জন্য, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আরও ৫ মাসের জন্য পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশের মতো নির্ভরশীল দেশে দাম বেড়ে যায় এবং তারা বিকল্প উৎসের দিকে চলে যায়।

পরিস্থিতি এভাবে চললে, ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্রমেই তাদের মূল বাজার হারাচ্ছেন। রপ্তানিকারকরা বলছেন, দেশগুলোর স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎসের কারণে ভারতের পেঁয়াজ চাষিরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT