ইবিতে অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
খামেনি নিহত! যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তোলপাড় ইরান ‎সিমাগো র‌্যাঙ্কিংয়ে সারাবিশ্বে ১ হাজারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কুবিতে ছাত্রীদের জন্য প্রথমবার চালু হচ্ছে ‘উইমেন’স কর্নার’ ​কুবিতে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ কর্মসূচি কুবিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন কুবিতে বিজ্ঞান অনুষদের ২৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড কুবিতে প্রথম মেধা তালিকার ভর্তি সময় বৃদ্ধি কুবির সিএসই বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বালিয়াকান্দিতে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান বিষ প্রয়োগ ও কেটে পেঁয়াজ ক্ষেত নষ্ট, শত্রুতা নাকি ষড়যন্ত্র!

ইবিতে অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১১ বার দেখা হয়েছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে শিক্ষার্থীদের পক্ষে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জারিন তাসনীম পুষ্প। অভিযুক্ত শিক্ষক আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি ড. নাসির উদ্দিন মিঝি।
শনিবার (১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের নিকট এই লিখিত আবেদনটি জমা দেন প্রতিনিধি দল।
অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপে নাসির উদ্দিন মিঝিকে শহীদ সাজিদ সম্পর্কে ‘কোথাকার কোন মৃত ছেলে, সে তো মইরাই গেছে’ বলে অবমাননাকর মন্তব্য করতে শোনা যায়। একই সঙ্গে তিনি সাজিদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত এক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘জিন্স পরা, ল্যাংটা মেয়ে, মানুষ না, হইওয়ান’ ইত্যাদি কটুক্তি করেন। উক্ত বক্তব্য নারী বিদ্বেষমূলক, অপমানজনক ও শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে হেনস্তা করার শামিল।
তারা আরও উল্লেখ করেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনি ‘শাওয়ার আন্দোলন’ বলে বিদ্রূপ করেন এবং ‘ওই মেয়ে আল কুরআনের কে, ওর হাতে মাইক দিছে কে’ বলে আন্দোলনের অধিকার খর্বের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি—সংশ্লিষ্ট অডিয়োটির সত্যতা নাসির উদ্দিন মিঝি নিজেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্বীকার করেছেন। তারা বলেন, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ক্ষোভ ও জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা ও ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ অবস্থায় আবেদনকারীরা ৩০ ঘণ্টার মধ্যে স্বপদ হতে বহিষ্কার করে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
আবেদনপত্র গ্রহণ শেষে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ড. মো. মনজুরুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের দেওয়া লিখিত আবেদনটি গ্রহণ করলাম। এটি আমি উপাচার্য বরাবর প্রেরণ করবো। পরবর্তীতে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে অভিযুক্ত সেই শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন এবং তিনি জানিয়েছিলেন, ‘সাজিদ আব্দুল্লাহর জন্য বিচারের দাবিতে আমি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলন করেছি এবং প্রশাসনিকভাবে বিষয়টি এগিয়ে নিতে ভিসি, প্রো-ভিসি, ইবি থানার ওসি-সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। তবে অন্যান্য শিক্ষকদের ও এক ছাত্রের সঙ্গে আলাপের সময় অসাবধানতাবশত কিছু শব্দ ব্যবহারে ভুল হয়েছে। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT