নোটিশ:
শিরোনামঃ
এনআইডি সংশোধনকে ভোগান্তিমুক্ত করতে চাই সময়সীমা ও জবাবদিহি ইউক্রেন–রাশিয়া শান্তি আলোচনা ফের শুরুর ইঙ্গিত, বড় বাধা ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা চীন সফরে কিম জং উন, চালু হলো নতুন ইয়ালু নদী সেতু জাতিসংঘ সংস্কার ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত কুয়াকাটায় পর্যটক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ বিদ্যুৎ স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় ঢাকা সফরে আসছেন জার্মানির উপমন্ত্রী রেশমশিল্পে যান্ত্রিকীকরণ ও প্রান্তিক তাঁতিদের কাঁচামাল সহজলভ্য করার সুপারিশ বাংলাদেশি চোখের রোগীদের জন্য চীনের কুনমিংয়ে বিশেষ সেবা চালু জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি: ইসি

নিকাব ও বোরকা পরা নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে পর্তুগালে

মোঃ সালমান বক্স, প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২০১ বার দেখা হয়েছে
564938203_1425541748544376_4042082989406768345_n

জনসমক্ষে নিকাব ও বোরকা পরা নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে ইউরোপের আরও এক দেশ পর্তুগালে। এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে দেশটির পার্লামেন্টে।

মূলত, ‘লিঙ্গভিত্তিক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে মুখ ঢেকে রাখা পোশাক’ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব নিয়ে বিলটি উত্থাপন করে পর্তুগালের অতি ডানপন্থি রাজনৈতিক দল চেগা পার্টি। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত সংসদীয় অধিবেশনে বিলটি পাস হয়। এতে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত স্থান বা জনসমক্ষে নিকাব পরলে ২০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। আর কাউকে জোর করে নিকাব পরতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তবে, ব্যতিক্রম হিসেবে উড়োজাহাজ, কূটনৈতিক এলাকা এবং উপাসনালয়ে নিকাব পরার অনুমতি থাকবে।

বিলটি অবশ্য এখনই আইন হিসেবে কার্যকর হচ্ছে না। এটি প্রথমে পাঠানো হবে সংসদের সাংবিধানিক বিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে, যেখানে বিলটি পর্যালোচনা করা হবে। এরপর পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুজা বিলটিতে স্বাক্ষর করবেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। চাইলে তিনি এটি পুনর্বিবেচনার জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠাতে পারেন।

এটি আইনে পরিণত হলে ইউরোপে নিকাববিরোধী আইনের তালিকায় যোগ দিবে পর্তুগালও। ইতোমধ্যে ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডস জনসমক্ষে বোরকা বা নিকাব পরা আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে।

বিল উত্থাপনকারী চেগা পার্টির নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা দাবি করেছেন, এটি নারীর স্বাধীনতা ও ইউরোপীয় মূল্যবোধ রক্ষার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তার ভাষায়, আজ আমরা আমাদের মেয়েদের বোরকা থেকে রক্ষা করেছি।

অন্যদিকে বামপন্থি নারী আইনপ্রণেতারা বিলটির তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং মুসলিম নারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক।

এদিকে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির এমপি আন্দ্রেয়া নেটো বলেন, এটি নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করার প্রশ্ন। কোনো নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করা উচিত নয়।

পর্তুগালের পার্লামেন্টে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধের বিলটি পাস হলেও ১০টি দলের মধ্যে ২টি দল পিপল-অ্যানিমেলস-নেচার পার্টি এবং টুগেদার ফর দ্য পিপল পার্টি ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে। তাদের মতে, এই বিল বৈষম্য উসকে দেবে এবং সমাজে বিভাজন বাড়াবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT