মাথার পেছনে গুলির চিহ্ন, রক্তে ভেসে থাকা বুক: ট্রাইব্যুনালে বাবার সাক্ষ্য - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা; রক্তাক্ত দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’

মাথার পেছনে গুলির চিহ্ন, রক্তে ভেসে থাকা বুক: ট্রাইব্যুনালে বাবার সাক্ষ্য

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৩ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে মাথার পেছনে গুলি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা মকবুল হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মকবুল হোসেন জানান, ছেলের দাফনের আগে গোসল করানোর সময় তিনি দেখেন মাথার পেছন ও বুকে গুলির চিহ্ন থেকে রক্ত ঝরছে। তিনি বলেন, জীবিত থাকতে ছেলের চাকরি দেখতে চেয়েছিলেন, আর এখন হত্যার বিচার দেখে যেতে চান।

জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় তাঁর ছেলেকে গুলি করেন। কয়েক দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদকে গলা চেপে থাপ্পড় দিয়েছিলেন।

গত বছরের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার ভিডিও সারা দেশে আলোড়ন তোলে এবং ছাত্র–জনতার গণ-অভ্যুত্থানে বড় ভূমিকা রাখে। মামলায় রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT