শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মালোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মধ্যযুগীয় বর্বরতা বনাম অধুনাকালিক বর্বরতা খামেনি নিহত! যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তোলপাড় ইরান ‎সিমাগো র‌্যাঙ্কিংয়ে সারাবিশ্বে ১ হাজারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কুবিতে ছাত্রীদের জন্য প্রথমবার চালু হচ্ছে ‘উইমেন’স কর্নার’ ​কুবিতে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ কর্মসূচি কুবিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন কুবিতে বিজ্ঞান অনুষদের ২৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড কুবিতে প্রথম মেধা তালিকার ভর্তি সময় বৃদ্ধি কুবির সিএসই বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বালিয়াকান্দিতে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে সংবর্ধনা ও পুরস্কার প্রদান

শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মালোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মিজানুর রহমান, (ইবি প্রতিনিধি)
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২১ বার দেখা হয়েছে
শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ইবিতে ধর্মালোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ধর্মালোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর দুইটায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা’র অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন প্রসাশক এ্যাড. সুব্রত কুমার চক্রবর্তী, ঝিনাইদহ জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক এবং উপসচিব রথীন্দ্রনাথ রায়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার রায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে বরাবরই স্পেশাল। পবিত্র কুরআনেই বলা হয়েছে কেউ অন্য ধর্মের অবতারকে গালি দিবে না তাহলে তোমার ধর্মকে অন্যরাও গালি দিবে না। মদিনা সনদেও রাসুলুল্লাহ (সা.) অন্যান্য ধর্ম পালনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে আপনাদের মধ্যে যেন কোনো সংকীর্ণতা না আসে। সমান মর্যাদা সহকারে আপনারা আপনাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারবেন এই নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। সকল ধর্মের মূলমন্ত্র হলো মানবিকতা। আমি এখানে আসার পর ইসলামিক এন্ড কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন নামে একটি নতুন ফ্যাকাল্টি চালু করেছি। এই ফ্যাকাল্টি চালু হলে হিন্দুধর্ম ও অন্যান্য ধর্মেরও গবেষণা চালু করা যাবে। হিন্দু ধর্মে আছে, যখন পৃথিবীতে অধর্মের চর্চা বেড়ে যায়, সাধারণ মানুষের জীবনযাপন যখন দূর্বিষহ হয়ে যায় তখন দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের লালনের জন্য শ্রী কৃষ্ণ অবতার হিসেবে আগমন করেন। কুরআন ব্যক্তিমানুষ এবং সমাজকে এড্রেস করেছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র ধর্মীয় পরিচয় ভুলে মানুষ পরিচয় নিয়ে তারা পাশাপাশি থাকবে, এই চেতনা লালন করতে হবে। সনাতন ধর্মীয় অনুভূতিতে কেউ আঘাত করলে মানববন্ধন না করে আমার কাছে আসলে আমি সমাধান করে দিবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ যদি এথিজম চর্চা করে এবং কোনো ধর্মকে স্ট্রাইক করে তাহলে তাকে যুক্তি দিয়ে দমন করতে হবে কারণ বর্তমান পৃথিবী হলো যুক্তিতর্কের পৃথিবী। আধুনিক পৃথিবী শক্তির পৃথিবী না বরং যুক্তির পৃথিবী।”
সমাপনী বক্তব্যে পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. অরবিন্দ সাহা উপাচার্যের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী মন্দিরের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, এর আগে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পূজা ও অঞ্জলি দান করা হয়। পরবর্তীতে ধর্মালোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT