
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫
রোববার (১০ আগস্ট) দুপুর থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে অধিকাংশ সংগঠন হলভিত্তিক রাজনীতি বজায় রাখার পক্ষে মত দেয়। একই সঙ্গে ডাকসু নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু বলেন, “নিষিদ্ধ সংগঠন শিবির কীভাবে প্রতিটি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, সেটাই আমাদের বয়কটের মূল কারণ।”
অন্যদিকে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি এস এম ফরহাদ জানান, “দু-একটি সংগঠন আমাদের উপস্থিতিতে না থাকার কথা বলেছে, কিন্তু এতে আমাদের কিছু যায় আসে না। এরা আগেও ফ্যাসিবাদকে শক্তিশালী করেছিল।”
গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ বৈঠকে রাজনৈতিক কাঠামোর বিপক্ষে মত দেয়। সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আবদুল কাদের বলেন, “রাজনীতি ফিরলে আবার গণরুম ও গেস্ট রুম সংস্কৃতি ফিরে আসবে।”
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের তৎপরতায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত। তাই গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ করাই আমাদের প্রথম এজেন্ডা।”
উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান জানান, শিক্ষার্থী ও সংগঠনগুলোর মধ্যে মুখোমুখি পরিস্থিতি এড়াতেই এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। “প্রথমে হল পর্যায়ে, পরে ক্যাম্পাস পর্যায়ে শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতির রূপরেখা তৈরির আলোচনা শুরু করেছি,” বলেন তিনি।