চাঁদের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে নজিরবিহীন মহাজাগতিক ঘটনা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে খাস জমি দখলমুক্ত: ইউপি চেয়ারম্যানের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, উদ্ধার ৩০ শতক সরকারি জমি শোক প্রস্তাবে আবরার-ওসমান হাদি- ফেলানীর নাম চাইলেন নাহিদ ইসলাম সংসদ হবে যুক্তি ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র—প্রথম অধিবেশনেই তারেক রহমানের ঘোষণা আমেরিকাতেই ইরানের হামলার শঙ্কা! ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন আক্রমণের সতর্কতা এফবিআইয়ের ত্রয়োদশ সংসদে প্রথম দিনেই ‘জুলাই সনদ’ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপের আভাস তারেক রহমানের বক্তব্যে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ, আজই স্পিকার নির্বাচন! বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালো ইরান! যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অস্বীকৃতি স্পেনের বড় ধাক্কা ইসরায়েলকে, রাষ্ট্রদূত স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার সংসদ কক্ষে স্পিকারের আসনের ওপরে বসলো কালেমা তাইয়্যেবা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

চাঁদের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে নজিরবিহীন মহাজাগতিক ঘটনা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ১৮৮ বার দেখা হয়েছে

২৯ জুলাই ২০২৫

আগামী ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর রাতে ঘটতে পারে এক ব্যতিক্রমী মহাজাগতিক দৃশ্য। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ‘২০২৪ ওয়াইআর৪’ নামের একটি বিশাল গ্রহাণু—যার উপাধি ‘সিটি-কিলার’—চাঁদের দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে। গ্রহাণুটির চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা বর্তমানে ৪.৩ শতাংশ, যা আগের ৩.৮ শতাংশ থেকে বেড়েছে।

প্রায় ২০০ ফুট প্রস্থ এবং ১৫ তলা ভবনের সমান উচ্চতার এই মহাজাগতিক বস্তুটি চাঁদে আঘাত হানলে সৃষ্টি হতে পারে বিশাল এক বিস্ফোরণ। এতে প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত একটি গর্ত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা হবে দশকের মধ্যে সবচেয়ে দৃশ্যমান মহাকাশীয় ঘটনা—এমনকি সাধারণ টেলিস্কোপ দিয়েও তা দেখা যাবে।

যদিও এই সংঘর্ষ চাঁদের কক্ষপথে পরিবর্তন আনবে না এবং সরাসরি পৃথিবীর ওপর প্রভাব ফেলবে না, তবে এর ধ্বংসাবশেষ বুলেটের গতিতে পৃথিবীমুখী হতে পারে। এতে করে উপগ্রহ, জিপিএস, ইন্টারনেট সংযোগ ও আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

নাসা ও ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপসহ বিভিন্ন দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে গ্রহাণুটির গতি ও কক্ষপথ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

নাসার গবেষক মলি ওয়াসার জানিয়েছেন, বর্তমানে গ্রহাণুটি সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণায়মান। তিনি বলেন, যদি নিউমির ইনফ্রারেড টেলিস্কোপটি আগে থেকেই কার্যকর থাকতো, তাহলে এই গ্রহাণুটি আরও আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হতো।

যদিও এই গ্রহাণু পৃথিবীর জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি নয়, তবে এটি হতে পারে গ্রহ প্রতিরক্ষা কৌশল পরীক্ষার একটি দুর্লভ সুযোগ এবং মহাকাশে আমাদের টিকে থাকার অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির বাস্তব বার্তা।

সূত্র: নাসা

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT