স্বাধীনতা দিবস এবং স্বৈরাচার সরকার পতন দিবস উপলক্ষে আগামী ৩০ জুলাই ও ৫ আগস্ট পরপর দুটি প্রীতিভোজ (ফিস্ট) আয়োজন করতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবেদা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, প্রতিবছর ২৬ মার্চ (স্বাধীনতা দিবস) এবং ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস) জাবিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ফিস্ট আয়োজন একটি নিয়মিত রীতি। তবে এবছর ২৬ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের মধ্যে পড়ায় এবং ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় ফিস্ট আয়োজন সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি কিছু প্রশাসনিক ও যৌক্তিক কারণেও তা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি। একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের পর অবশেষে আগামী ৩০ জুলাই স্বাধীনতা দিবসের প্রীতিভোজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের দিনটিতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আরেকটি ফিস্ট আয়োজন করা হবে।
এ বিষয়ে এক শিক্ষার্থী বলেন, “স্বাধীনতা দিবস ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এমন আয়োজন আমাদের আন্দোলনের ইতিহাস ও গৌরবকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।”
অধ্যাপক আবেদা সুলতানা জানান, এবারের প্রতিটি ফিস্টে মাথাপিছু ৩০০ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হবে ৩০ টাকা, হল প্রশাসন দেবে ৫০ টাকা এবং বাকি ২২০ টাকা প্রদান করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
৩০ জুলাইয়ের ফিস্টে থাকবে মুরগির মাংস, আর ৫ আগস্টের ফিস্টে খাসির মাংসের সঙ্গে পরিবেশন করা হবে পোলাও, ডিম, ডাল/সবজি, মিষ্টি এবং কোল্ড ড্রিংকস।
উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর এই দুই দিবসে প্রতিটি হলে ফিস্টের আয়োজন হয়ে থাকে। দিনটি ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।